ভেবেছিলাম তো ১৪৪ আসনে তৃণমূল জিতবে, কটাক্ষ শমীকের! মানুষের দাস হয়ে থাকব, বললেন সজল
ফের একবার বাংলায় সবুজ ঝড়! কলকাতার একের পর এক ওয়ার্ডে জয়জয়কার তৃণমূল প্রার্থীদের। ৭০ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়ে একাধিক তৃণমূল প্রার্থী জয় পেয়েছেন। যা অবশ্যই আগামী পুর নির্বাচনগুলিতে শাসকদল তৃণমূলের আত্মবিশ্বাসকে বাড়িয়ে তুলবে।
ফের একবার বাংলায় সবুজ ঝড়! কলকাতার একের পর এক ওয়ার্ডে জয়জয়কার তৃণমূল প্রার্থীদের। ৭০ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়ে একাধিক তৃণমূল প্রার্থী জয় পেয়েছেন। যা অবশ্যই আগামী পুর নির্বাচনগুলিতে শাসকদল তৃণমূলের আত্মবিশ্বাসকে বাড়িয়ে তুলবে। এমনটাই মত রাজনৈতিকমহলের।
তবে বিরোধী হওয়ার লড়াইয়ে প্রশ্নের মুখে বিজেপি। এখনও পর্যন্ত তিনটি ওয়ার্ডে জয় পেয়েছে বিজেপি। কিন্তু ভোট শতাংশের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে বামেরা। কিন্তু কেন এমন অবস্থা?

কমিশন কোনও বিশৃঙ্খলা দেখতে পায়নি!
এই ফলাফল দেখে বিজেপি নেতা শমিক ভট্টাচার্যের দাবি, যেভাবে ভোট হয়েছে তাতে তো জানি ১৪৪ আসনে তৃনমূল জিতবে! এটা আশ্চর্যের বিষয়ে যে কয়েকটি জায়গাতে বিরোধীরা জিতেছে। বিজেপি নেতার কথায়, যেভাবে নির্বাচন কমিশন, পুলিশ কমিশনার বললেন শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে, তাতে এই ফলাফল অত্যন্ত স্বাভাবিক। তাঁর দাবি, একাধিক জায়গায় প্রার্থীরা আক্রান্ত হয়েছে, ইভিএম ভেঙে ফেলা হয়েছে। তারপরও নির্বাচন কমিশন কোনও বিশৃঙ্খলা দেখতে পায়নি। মত বিজেপি নেতার।

ওয়ার্ড ধরে রাখলেন মীনাদেবী পুরোহিত
ছয়বারের কাউন্সিলার হিসাবে জয় পেয়ে খুশি মীনাদেবী পুরোহিত। এই জয় সাধারন মানুষ এবং বিজেপির কর্মীদের উৎসর্গ করলেন তিনি। তবে ভোট নিরপেক্ষ হয়নি। নানা ভাবে আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। যদিও সন্ত্রাস কিংবা শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট হত তাহলে বিজেপি অনেক বেশি আসন পেত বলে দাবি প্রাক্তন ডেপুটি মেয়রের। এবার পুরনির্বাচনে তাঁর শক্তঘাঁটি ২২ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই লড়াই করেন। ভোটের দিন তাঁকে নানা ভাবে হেনস্তা করা হয়। কিন্তু এরপরেও জয়ের ধারা বজায় রাখলেন।

২৩ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের জয়
এই জয় ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের জয়। ব্যাপক সবুজ ঝড়ের মধ্যেও গড় আগলে রেখেছেন বিজেপি নেতা বিজয় ওঝা। জয়ের পরেই তিনি বলেন, একাধিক ওয়ার্ডে কীভাবে ভোট হয়েছে তা সবাই দেখেছে। হুমকি, এজেন্টদের বসতে না দেওয়া, যা পেরেছে শাসকদল করেছে। দাবি বিজয় ওঝার। অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ কলকাতায় ভোটব হলে বিজেপি আরও বেশি করে ভোট পেত বলে দাবি তাঁর। মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ বিজেপি নেতার।

জয় পেয়েছেন সজল ঘোষ
জয় পেয়েছেন সজল ঘোষ। প্রথম থেকেই ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের দিকে নজর ছিল। একদা প্রদীপ ভট্টাচার্যের শক্ত ঘাঁটি ছিল। এবার তাঁর ছেলেকেই প্রার্থী করে বিজেপি। গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে ছিলেন তিনি। শেষবেলায় কার্যত মাস্টারস্ট্রোক বিজেপি নেতার। মানুষের দাস হয়ে থাকব, জেতার ব্যাপারে প্রথম প্রতিক্রিয়াতে এমনটাই বললেন সজল।

ফাঁকা বিজেপি দফতর
সকাল থেকেই বিজেপির জয়জয়কার। বিজয় উৎসবে মেতে উঠেছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। সেখানে খালি বিজেপি দফতর। সকাল থেকে কোনও বিজেপি নেতাকেই পার্টি অফিসে আসতে দেহা যায়নি।












Click it and Unblock the Notifications