উদ্ধার ৭ টি দেহ! ৩০ বছরে এমন অভিজ্ঞতা হয়নি, বললেন ফিরে আসা মৎস্যজীবী
এখনও নিখোঁজ ১২ মৎস্যজীবী। সোমবার উত্তাল সমুদ্রে ডুবে যায় তিনটি ট্রলার। নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন ১৯ জন মৎস্যজীবী।বুধবার দুজনের দেহ উদ্ধার করা হয়।বৃহস্পতিবার উদ্ধার হয় পাঁচটি দেহ। সাতটি দেহই সনাক্ত হয়েছে
এখনও নিখোঁজ ১২ মৎস্যজীবী। সোমবার উত্তাল সমুদ্রে ডুবে যায় তিনটি ট্রলার। নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন ১৯ জন মৎস্যজীবী। বুধবার দুজনের দেহ উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার উদ্ধার হয় পাঁচটি দেহ। সাতটি দেহই সনাক্ত করা গিয়েছে। এই ঘটনায় কাকদ্বীপ জুড়ে আতঙ্ক আর কান্না ছড়িয়ে পড়েছে।

সোমবার ৪ হাজার ট্রলার মাছ ধরতে যায়
সোমবার সকালে কাকদ্বীপ, নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় ৪ হাজার ট্রলার মাছ ধরতে গিয়েছিল। কিন্তু বিকেলের পর থেকে আচমকাই সমুদ্র উত্তাল হতে শুরু করে। সেই সময় বেশিরভাগ মৎস্যজীবীই উপকূলে ফিরে আসার চেষ্টা করতে থাকেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে জম্বু দ্বীপের কাচে আসার পর একের পর এক ট্রলার ডুবতে শুরু করে। ডালহৌসি দ্বীপের কাছে তিনটি ট্রলার ডুবে যায়। কাছাকাছে থাকা অন্য ট্রলারগুলি বেশ কয়েকজন মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করেন।

তল্লাশিতে হোভারক্রাফ্ট ও ডর্নিয়ার বিমান
সমুদ্র উত্তাল থাকায় মঙ্গলবার উদ্ধার কাজ সঠিক ভাবে শুরু করা যায়নি। বুধবার থেকে উপকূলরক্ষী বাহিনীর একাধিক হোভারক্রাফট, ডর্নিয়ার বিমান এবং মৎস্যজীবীদের ট্রলার নিখোঁংজ মৎস্যজীবীদের সন্ধানে তল্লাশি অভিযানে নামে। বুধবার দুটি দেহ উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফের শুরু হয় নিখোঁজ মৎস্যজীবীদের খোঁজে তল্লাশি। উদ্ধার হয় ৫ টি দেহ। সবমিলিয়ে ৭ টি দেহ উদ্ধার করা হয়।

জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ
জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কাকদ্বীপের মৎস্যজীবীরা। মৎস্যজীবীরা প্পরশাসনের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, প্রশাসনের তরফে আগাম কোনও সতর্কবার্তা ছিল না। এর পাশাপাশি মৎস্যজীবীদের কাছে লাইফ জ্যাকেটও ছিল না।

উদ্ধার মৎস্যজীবীর প্রতিক্রিয়া
উদ্ধার হওয়া এক মৎস্যজীবী জানিয়েছেন, ৩০ বছর ধরে তিনি সাগরে মাছ ধরতে যাচ্ছেন। কিন্তু এরকম প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে তিনি পড়েননি। নিখোঁজ এবং উদ্ধার হওয়া অধিকাংশের বাড়ি কাকদ্বীপ, হারউড পয়েন্ট কোস্টাল, নামখানা ও ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানা এলাকায় বলে জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications