১৪ কোটি টাকা...প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার কীর্তি ফাঁস! অবশেষে গ্রেফতার মমতার পুলিশের হাতেই
Krishnanagar TMC Leader Arrest: সমবায় সমিতির ১৪ কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ। আর এই অভিযোগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশের হাতেই গ্রেফতার তৃণমূলের প্রাক্তন শহর সভাপতি তথা বর্ষীয়ান নেতা শিবনাথ চৌধুরী। আজ শুক্রবার সকালে কোতোয়ালী থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা। কড়া ভাষায় শাসকদলকে আক্রমণ শানিয়েছে বিরোধীরা।
যদিও যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা (Krishnanagar TMC Leader Arrest) । শিবনাথ চৌধুরীর পাল্টা দাবি, একেবারে চক্রান্ত করে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। কোনও অপরাধের সঙ্গে তিনি জড়িত নন বলেও দাবি করেছেন। কে বা কারা চক্রান্ত করল সে বিষয়ে স্পষ্ট ভাবে কিছু জানাননি শিবনাথ চৌধুরী।

তবে প্রভাবশালী এই তৃণমূল নেতার গ্রেফতারে নিঃসন্দেহে অস্বস্তি বাড়িয়েছে শাসকদলের। জানা যাচ্ছে, জানা যাচ্ছে, দিয়া ডিসট্রিক্ট সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের প্রাক্তন চেয়ারম্যান হিসাবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব সামলেছেন শিবনাথ চৌধুরী। আর সেই সময় তাঁর বিরুদ্ধে ১৪ কোটি টাকা তছরূপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ সমবায় সমিতির থেকে।
জানা যায় কালিনগর সোসাইটির ১৪ কোটি টাকা তজরূপ করেছেন বলে অভিযোগ করেন ওই সোসাইটির একজন সদস্যা। তাঁর দাবি দীর্ঘ ২০১৪ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত কালিনগর সোসাইটির চেয়ারম্যান থাকাকালীন কোটি কোটি টাকা তছরুপ করা হয়েছে।
এই বিষয়ে একাধিক প্রমাণ্য নথি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা কর্মী। দীর্ঘ সময় ধরে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। তৃণমূলের প্রাক্তন শহর সভাপতি তথা বর্ষীয়ান নেতা শিবনাথ চৌধুরীকে পুলিশ যাতে গ্রেফতার করে সেই নির্দেশও কলকাতা হাইকোর্ট দেয় বলে অভিযোগ।
কোর্টের নির্দেশে আজ শুক্রবার অভিযুক্ত শিবনাথ চৌধুরীকে গ্রেফতার করে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ। শুধু টাকা তছরূপই নয়, মহিলাদের সঙ্গে অশালীন ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে অভিযুক্ত শিবনাথ চৌধুরীর বিরুদ্ধে। কিছু বলতে গেলেই খারাপ ব্যবহার করতেন বলেও দাবি।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি সহ বিরোধীদের দাবি, এটাই তৃণমূলের সংস্কৃতি। গরু, কয়লা, নিয়োগ সহ একাধিক কেলেঙ্কারিতে ইতিমধ্যে শাসকদলের নেতাদের নাম জড়িয়েছে। এবার সমবায়তেও বড়সড় দুর্নীতি ফাঁস। আগামী নির্বাচনে বাংলা থেকে দুর্নীতিবাজ সরকারকে মানুষ সরিয়ে দেবে বলে দাবি বিরোধীদের। এইও প্রসঙ্গে শাসকলের নেতৃত্বের দাবি, আইন মেনেই সব কিছু হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার সরকার কখনই দুর্নীতিকে প্রশয় দেয় না।












Click it and Unblock the Notifications