‘কাশ্মীরের মতো’ দু-টুকরো হয়ে যেতে পারে বাংলাও, দেশে ভীতি ছড়াচ্ছে মোদী সরকার’
কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ করতে গিয়ে শুধু সংবিধানে হাত দিল না মোদী সরকার, একটা রাজ্যকে ভেঙে খান খান করে দিল অবলীলায়।
কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ করতে গিয়ে শুধু সংবিধানে হাত দিল না মোদী সরকার, একটা রাজ্যকে ভেঙে খান খান করে দিল অবলীলায়। যে পদ্ধতিতে জম্মু-কাশ্মীরকে ভাগ করে দেওয়া হল, এমনটা হতে থাকলে বাংলাও যে কোনও দিন ভাগ হয়ে যাবে। সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম বলেন, কেন্দ্রের সরকার যে কোনও দিন উত্তর-দক্ষিণ বঙ্গকে বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারে।

দার্জিলিংয়ে গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে দীর্ঘদিন আন্দোলন চালিয়েছিল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। তারপর তাঁদের সমর্থনে দু-দুবার সংসদে গিয়েছে বিজেপি। বিজেপি প্রকারান্তরে সমর্থন দিয়েছিল বাংলা ভাগকে। যদিও তা চরিতার্থ হয়নি। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিততে সিপিএম নেতার মনে হয়েছে, বিজেপি ক্ষমতার দম্ভে যে কোনওদিন যে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
সেলিম বলেন, ভারতের সঙ্গে থাকার জন্য জম্মু-কাশ্মীরকে এই বিশেষ মর্যাদা প্রদান করা হয়েছিল। ৩৭০ ধারা রদ করে জম্মু-কাশ্মীরের সঙ্গে বিশ্বাস ঘাতকতা করেছে রাজ্য সরকার। জম্মু-কাশ্মীরকে ভেঙে দু-টুকরো করে দেওয়া হয়েছে কোনও নোটিশ ছাড়াই। আরও এক টুকরো হয়ে যাবে ভারতের এই ভূ-স্বর্গ।
উল্লেখ্য, এদিন কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা ও ৩৫এ ধারা লোপের সঙ্গে সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীরকে দুটি অঙ্গরাজ্যে ভাগ করেছে। বিধানসভাযুক্ত কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হয়েছে জম্মু-কাশ্মীর। আর বিধানসভামুক্ত কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হয়েছে লাদাখ। জম্মু আর কাশ্মীরকেও ভেঙে দু-টুকরো করে দেওয়ার সিদ্ধান্তে সিলমোহর লেগে য়েতে পারে যে কোনও সময়ে।
তেমনই গঙ্গার দুপারে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যেও বিভাজন রেখা নেমে আসতে পারে। দুটি পৃথক রাজ্যে রূপান্তরিত হতে পারে বাংলা। সেই আশঙ্কাই এদিন কাশ্মীরের ভাঙন দেখে করেছেন সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম।












Click it and Unblock the Notifications