অভাবের 'সংসারে' এবার কোর্টের রায়! শুক্রবার কীভাবে স্কুল চলবে? বুঝতেই পারছেন না প্রধান শিক্ষকরা
SSC Recruiment Verdict: সুপ্রিম কোর্টের রায় একদিকে যেমন হতাশ চাকরি যাওয়া শিক্ষকরা,অন্যদিকে হতাশ বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষকেরা। কারণ জেলার স্কুলগুলিতে এমনিতেই ছাত্র-ছাত্রী অনুযায়ী শিক্ষকের সংখ্যা অনেকটাই কম। এরপর সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ে চাকরি হারালেন বহু শিক্ষক। এরফলে আরও এক ধাক্কায় জেলার বিভিন্ন স্কুলগুলিতে কমে গেল শিক্ষক সংখ্যা। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে বহু শিক্ষকের আজ বৃহস্পতিবারই ছিল শেষ 'স্কুল সফর'।
বাঁকুড়া মিউনিসিপাল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, তাঁর স্কুলে এমনিতেই শিক্ষক সংখ্যা যথেষ্ট কম। তার ওপর আরও দু'জন শিক্ষক সুপ্রিম কোর্টের রায়ে (SSC Recruiment Verdict) চাকরি হারিয়েছেন। আর তাতে আরও সমস্যা বাড়ল বলেই মনে করছেন ওই প্রধান শিক্ষক। কীভাবে আগামিদিনে ক্লাস করাবেন সেটাও বুঝতে পারছেন না। কার্যত 'দিশাহীন' অবস্থা বাঁকুড়া মিউনিসিপাল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের।

শুধু তিনি নয়, কার্যত একই অবস্থা বাংলার অন্যান্য স্কুলগুলিতেও। কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবেন এখন বুঝে উঠতে পারছেন না। এমনকী শুক্রবার থেকে কীভাবে স্কুল চলবে সেটাও বুঝতে পারছেন না বহু প্রধান শিক্ষকই। সুপ্রিম রায়ে একেবারে অথৈ জলে পড়েছেন অনেকে। সবথেকে বড় ব্যাপার মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। অনেক শিক্ষকই সেই খাতা দেখছিলেন। রাতারাতি চাকরি চলে যাওয়াতে সেই খাতা কীভাবে দেখা হবে তা নিয়েও একটা সংশয় তৈরি হয়েছে।
বিশেষ করে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল ঠিক সময় বের হবে তো? তা নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে লাখ পরিক্ষার্থীদের মধ্যে। এক পরীক্ষার্থী বলছেন, অনেকে বলছেন যারা খাতা দেখছিলেন তাঁদের মধ্যে বহুজনেরর চাকরি গেছে আদালতের রায়ে। এই অবস্থায় ঠিক সময় রেজাল্ট বের হবে তো? প্রশ্ন ওই পরিক্ষার্থীর।
SSC Recruiment Verdict: এক নজরে রায় -
দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার ২০১৬ সালের এসএসসি মামলায় গোটা প্যানেল বাতিলের নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে সর্বোচ্চ আদালত। চাল ও কাঁকর আলাদা করা গেল না। চাকরি চলে গেল ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের।












Click it and Unblock the Notifications