মুকুল রায়কে নিয়ে বাড়ল চাপ! সিদ্ধান্ত নিতে বিধানসভার অধ্যক্ষকে দেওয়া সময় বাঁধল সুপ্রিম কোর্ট

মুকুল রায়কে নিয়ে বাড়ল চাপ! সিদ্ধান্ত নিতে বিধানসভার অধ্যক্ষকে দেওয়া সময় বাঁধল সুপ্রিম কোর্ট

মুকুল রায় (Mukul Roy) তৃণমূলে (Trinamool Congress) যোগ দিয়েছিলেন তপসিয়ার পার্টি অফিসে গিয়ে। কিন্তু তিনি কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে বিজেপির (BJP) টিকিটে নির্বাচিত হয়েও বিধায়ক পদে ইস্তফা দেননি। যা নিয়েই মামলা এখন সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। সোমবার সুপ্রিমকোর্টের তরফে জানানো হয়েছে, মুকুল রায়ের সদস্যপদ খারিজ নিয়ে ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার অধ্যক্ষকে (Assembly Speaker) এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

দুই সদস্যের বেঞ্চের নির্দেশ

দুই সদস্যের বেঞ্চের নির্দেশ

সুপ্রিম কোর্টের অবসরকালীন বেঞ্চের বিচারপতি এল নাগেশ্বর রাও এবং বিভি নাগারথনার বেঞ্চ মুকুল রায়কে নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানি করে। হাইকোর্টের দেওয়া আদেশে বলা হয়েছিল সংবিধানের দশম তফশিলের অধীনে মুকুল রায়ের সদস্যপদ খারিজের বিষয়টি দেখতে। মুকুল রায়কে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান করা নিয়ে বিজেপির বিধায়ক অম্বিকা রায়ের আবেদনের প্রেক্ষিতেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা

সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা

সুপ্রিম কোর্টের তরফে এদিন অধ্যক্ষের আবেদনের শুনানি স্থগিত রেখে বলেছেন তাঁরা মনে করছেন ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে এব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে। এদিন অধ্যক্ষের তরফে বর্ষীয়ান আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি আবেদন করেছিলেন বিষয়টি ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে শুনানি রাখা হোক। পাল্টা আবেদনকারীর আইনজীবী শেখর নাফাদে এর বিরোধিতা করে এই সপ্তাহেই শুনানির আবেদন করেন।
বিচারপতি রাও মৌখিকভাবে বলেন, দু-সপ্তাহ সময় দেওয়া হল। ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে এই মামলাটি রাখা হোক। তবে এই সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে অধ্যক্ষের আইনজীবী সিংভিকে নির্দেশ দেন তিনি।

মুকুল বিজেপিতেই আছেন, দাবি করেছিলেন তাঁর আইনজীবীরা

মুকুল বিজেপিতেই আছেন, দাবি করেছিলেন তাঁর আইনজীবীরা

মুকুল রায়কে নিয়ে গত ১৪ জানুয়ারি বিধানসভায় শুনানি হয়। সেখানে মুকুল রায়ের আইনজীবীরা দাবি করেন, অন্য রাজনৈতিক দলের মঞ্চে তিনি গিয়েছিলেন সৌজন্যের খাতিরে। তিনি বিজেপিতেই আছেন বলে দাবি করেছিলেন তাঁর আইনজীবীরা। সেই সময় দাবির বিরোধিতা করেছিলেন বিজেপি আইনজীবীরা। যদিও এরই মধ্যে মুকুল রায়ের কিছু স্ববিরোধী মন্তব্য করেন। কৃষ্ণনগরে তিনি বলেছিলেন, তৃণমূল পর্যুদস্ত হবে। ডিসেম্বরে একই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বোলপুরে, অনুব্রত মণ্ডলের উপস্থিতিতে।

 বিজেপি অবস্থান

বিজেপি অবস্থান

মুকুল রায়ের অবস্থান নিয়ে সব থেকে প্রথমে সরব হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ১৭ জুন মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের দাবি করে তিনি বিধানসভায় অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করেন। তৃণমূলে যোগ দিয়ে যে বিজেপি বিধায়ক হিসেবে থাকা যাবে না তা তিনি মুকুল রায় এবং অন্য দলবদলকারী বিধায়কদের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।
বিষয়টি নিয়ে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির মামলার শুনানি বারবার পিছিয়ে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের পরিষদীয় ব্যবস্থাকে হাস্যকর পরিস্থিতিতে নিয়ে যাচ্ছে বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। তবে বিজেপি মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করতে যে শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে যাবে, তাও জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+