চাকরিপ্রার্থীদের ডেকে পুলিশ লেলিয়ে দিয়েছেন ‘হরিদাস’ ভাইপো, কটাক্ষের বাণ ছুড়লেন সৌমিত্র
টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদেরকে পুলিশ লেলিয়ে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযেগ করলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। তিনি বলেন, চাকরি প্রার্থীদের ডেকে এনে পুলিশ লেলিয়ে দিয়েছেন ‘হরিদাস’ ভাইপো।
টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদেরকে পুলিশ লেলিয়ে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযেগ করলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। তিনি বলেন, চাকরি প্রার্থীদের ডেকে এনে পুলিশ লেলিয়ে দিয়েছেন 'হরিদাস' ভাইপো। পুলিশ অভিষেকের অফিসের সামনে থেকে টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীদের হটিয়ে দেন। তা নিয়েই ধুন্ধমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিরোধীরা গর্জে ওঠেন পুলিশের ওই ভূমিকায়।

শুক্রবার এসএসসির এসএলএসটি উত্তীর্ণদের নিয়ে যখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে বৈঠক করছেন, তা শুনে সেখানে হাজির হয়েছিল টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীরা। তাঁদের দাবি, তাঁরা চান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে। যতক্ষণ না তাঁদের দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে, তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন। অভিষেক বারবার বার্তা পাঠানোর পরও তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যান রাতভর। শেষে শনিবার দুপুরে ক্যামাক স্ট্রিটের অবস্থানরত ছাত্র-ছাত্রীদের চ্যাংদোলা করে পুলিশ ভ্যানে তুলে নিয়ে যায়।
এই ঘটনার পর বিজেপি থেকে সিপিএম এবং কংগ্রেস গর্জে ওঠে। বিজেপির সাংসদ সৌমিত্র খাঁ সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে নিশানা করেন ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সৌমিত্র খাঁ কলেখেন, "হরিদাস ভাইপো চাকরি প্রার্থীদের ডেকে পিছনে পুলিস লেলিয়ে দিয়েছেন। এটাই ভাইপো।" তাঁর এই সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ভাইপো বলতে কাকে বুঝিয়েছেন, তা বুঝতে কারও বাকি নেই। তিনি আবারও নিশানা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
শুক্রবার রাতভর অবস্থান বিক্ষোভ চালানোর পর শনিবারও আন্দোলনকারীরা পিছু হটেনি। তাঁদের বোঝানো সত্ত্বেও সরেননি টেট উত্তীর্ণ আন্দোলনকারীরা। শনিবারও দফায় দফায় তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যান। তারপর পুলিশ গিয়ে তাঁদের টেনে হিঁচড়ে সরিয়ে দেয় পুলিশ। তা সত্ত্বেও টেট উত্তীর্ণরা কাতর আর্তি জানাতে থাকেন, একবার অন্তত তাঁদের দেকা করতে দিন অভিষের বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে।
শুক্রবার ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণরা অভিষেকের অফিসের সামনে হাজির হয়ে দাবি জানাতে থাকেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা না করে তাঁরা এখান থেকে যাবেন না। যতক্ষণ না পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন, ততক্ষণ অবস্থান চলবে, তাঁরা কেউ পিছু হটবেন না।
এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বার্তা পাঠিয়ে জানান, তিনি শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে আগামী সাতদিনের মধ্যে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা বলেছেন। এভাবে তো কথা বলা সম্ভব নয়। আপনারা লিখিত বিবৃতি দেন। তিনি গুরুত্ব সহকারেই দেখবেন বিষয়টি এবং শিক্ষামন্ত্রীকে তিনি জানিয়েছেন পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে।












Click it and Unblock the Notifications