কোথাও স্কুলের বাইরে পড়ূয়াদের বিক্ষোভ, কোথাও বন্ধ স্কুলের গেট! সরস্বতী পুজোয় বাংলায় নজিরবিহীন ছবি
Saraswati Puja: শুধু কলকাতা কিংবা দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গাতেই নয়, সরস্বতী পুজো নিয়ে একেবারে নজিরবিহীন ছবি ধরা পড়ল উত্তরবঙ্গেও। বিদ্যার দেবী আরাধনা চেয়ে স্কুলের গেটে না একেবারে তুমুল বিক্ষোভ দেখালেন শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে অভিভাবকরা। যা নিয়ে একেবারে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে খড়িবাড়ির দিলসারাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
বাংলাতে এমন দেখতে হবে তা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে তীব্র আক্রমণ বিজেপি সহ বিরোধীদের। বাংলায় সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরেই একেবারে উত্তাল বাংলা। পুজো করতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা পর্যন্ত হয়েছে। যখন এহেন ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক চলছে বাংলাজুড়ে সেই সময় খড়িবাড়ির দিলসারাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবার পুজোই হল না।

এভাবে একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সরস্বতী পুজো না হওয়া নিয়ে একেবারে চরম ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। এই পরিস্থিতিতে স্কুলের গেটে পুজো চাই, পুজো চাই! সরস্বতী পুজো চাই! এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখাতে থাকেন স্কুল পড়ুয়ারা। এমনকি এদিন সেজে গুজে এসে স্কুলে পুজো না হওয়ায় মন খারাপ শিক্ষার্থীদের। অভিভাবকদের দাবি, বছরে একবার পুজো তাও হচ্ছে না। তালাবন্ধ হয়ে রয়েছে স্কুল। স্কুলে কেন পুজো হচ্ছে না তার জবাব দিতে হবে।
প্রাক্তনীর দাবি, বলার ভাষা নেই, এর জবাব দিতে হবে শিক্ষকদের।
একই ছবি বাঁকুড়াতে। স্কুলে সরস্বতী পূজা হয়নি, অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে সামিল বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড়ের শিরষা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের অভিভাবকদের একাংশের। অভিভাবকদের দাবি, স্বাধীনতার আগে প্রতিষ্ঠিত এই স্কুলে শুরুর সময় থেকে নিয়মিত সরস্বতী পুজো হয়ে আসছে। এবছর কোন অজ্ঞাত কারণে সেই পূজোই বন্ধ। ঠিক কি কারণে পূজো বন্ধ বিষয়টি স্পষ্ট নয় কারও কাছেই।
স্থানীয় প্রধান বিবেক সিং নিজেকে ওই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র দাবি করে বলেন, অনেক অভিভাবকই তার কাছে এবিষয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন । তিনি নিজেও বিষয়টি লক্ষ্য করেছেন জানিয়ে বলেন, ১৯৪৬ সাল থেকে পুজো হয়ে আসছে। ছাত্র ছাত্রীরা অপেক্ষায় ছিল। পুজো না করে ঠিক কাজ হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
শিরষা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কুমার দত্ত টেলিফোনে বলেন, সহ শিক্ষিকা ছুটিতে আছেন, আমার একার পক্ষে স্কুল ছুটি করে পুজো আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। অভিভাবিকাদের মিটিং এ বিষয়টি আগেই জানানো হয়েছিল। সর্বসম্মতিক্রমেই এবার পুজো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয় বলে তিনি দাবি করেন।












Click it and Unblock the Notifications