সারদা: মিঠুন চক্রবর্তী, শতাব্দী রায়কেও জিজ্ঞাসাবাদ করবে ইডি

২০১০ সালে হুগলী জেলার চন্দননগরে সারদা গোষ্ঠীর একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন শতাব্দী রায়। বলেছিলেন, "এত বড় একটি কোম্পানির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হওয়ায় আমি গর্বিত।" সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কার্যকলাপেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। পাশাপাশি, মিঠুন চক্রবর্তীও সারদা কোম্পানির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ছিলেন। যদিও তাঁর নিজের দাবি, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর নয়, সারদা গোষ্ঠীর একটি সাম্মানিক পদে কাজ করতেন। 'বাংলা বলছে, সঙ্গে মিঠুন' এই নামের একটি অনুষ্ঠানও তিনি করতেন। চুক্তি অনুযায়ী, ৫২ লক্ষ পারিশ্রমিক পাওয়ার কথা ছিল। সেই টাকা তিনি আজও পাননি। ইডি জানিয়েছে, ওই দু'জন ঠিক কী কী কাজ করতেন, কীভাবে টাকা পেতেন, কার মাধ্যমে সুদীপ্ত সেনের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল, সবই মালুম হওয়া জরুরি। আর তাই তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
ইডি-র সম্ভাব্য জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে শতাব্দী রায় বলেছেন, "আমি এখনও কোনও চিঠি পাইনি। আমাকে ডাকা হলে সব রকম সহযোগিতা করব ওদের। আমি সারদার বিভিন্ন পণ্যের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসাবে পেশাগতভাবে কাজ করেছি। অনেক কোম্পানিরই তো ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হয়েছি। এটা আমার পেশা। দুর্নীতি তো করিনি।" মিঠুন চক্রবর্তী বলেছেন, "ইডি এখনও আমাকে কোনও চিঠি পাঠায়নি। ডাকলে নিশ্চয় যাব।"
এদিকে, কিছুদিন আগে সুদীপ্ত সেন, কুণাল ঘোষ-সহ ছ'জনের বিরুদ্ধে সিবিআই যে এফআইআর করেছিল, তার ভিত্তিতে তাঁদের ১৬ জুন হাজিরার নির্দেশ দিল আলিপুর আদালত। ওইদিন বিচারকের কাছে সিবিআই আবেদন জানাবে অভিযুক্তদের হেফাজতে নিতে। সেই আর্জি মঞ্জুর হলে রাজ্য পুলিশ আর সুদীপ্তবাবুদের নিজেদের হেফাজতে রাখতে পারবে না।












Click it and Unblock the Notifications