সন্দেশখালির ঘটনায়, রাজ্যপাল বোস কি প্রশাসনকে কড়া বার্তা দেবেন? রাশ টানবেন নিজের দিকে?
সন্দেশখালির ঘটনায় মুখ খুলেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্য প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, রাজ্য সরকার উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিলে পদক্ষেপ করবেন তিনি। এমনই হুঁশিয়ারি তাঁর বক্তব্যে ধরা পড়েছে। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। রাজ্যপালের কাছে সেই বার্তা গিয়েছিল। এরপরেই রাজভবন থেকে সিভি আনন্দ বোস কড়া বার্তা দিলেন। এর আগেও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্যপাল। আরও একবার ধরা পড়ল সেই বিষয়।

সরকারের দায়িত্ব কী? সেই কথা বুঝিয়ে দিলেন রাজ্যপাল। ফল ভুগতে হবে। এই কথাও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তাহলে কী সিভি আনন্দ বোস কোনও বড় পদক্ষেপ করতে চলেছেন? সরকারের উচিত গণতন্ত্রে এই ধরনের বর্বরতাকে রোখা। যদি সরকার এই দায়িত্ব পালন করতে না পারে, সংবিধান উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। এমন বক্তব্য রেখেছেন রাজ্যপাল। তাহলে তিনি নিজেই কি এবার আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কে ব্যবস্থা নেবেন? প্রশ্ন উঠেছে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় তিনি মাটির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। হিংসা ছড়ানো এলাকায় রাজ্যপাল পৌঁছে গিয়েছিলেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। জিরো টলারেন্স বার্তা রাজ্যপালও দিয়েছেন। রাজভবন থেকে গোটা বিষয় নজরদারিও চলেছে। ফের সন্দেশখালিতে নজিরবিহীন ঘটনা ঘটল। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের উপর হামলা হল। মেরে তাদের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল।
কার্যত তদন্তকারীরা প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে এলেন সেই এলাকা থেকে। এবার রাজভবনের ভূমিকা কী? স্বাভাবিকভাবেই সেই প্রশ্ন উঠছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে ডেকে পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল। আজই দুজনকে রাজভবনে যেতে হবে বলে খবর। দুজনের থেকে সন্দেশখালির ঘটনার ব্যাখ্যা শুনবেন রাজ্যপাল।
শুধু তাই নয়, দিল্লির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককেও রাজ্যপাল পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাঠাচ্ছেন। তেমন কথা শোনা যাচ্ছে। রাজ্যপাল যে বিষয়টিকে মোটেও লঘু করে দেখছেন না। এমনই বার্তা যাচ্ছে প্রশাসনিক মহলে।












Click it and Unblock the Notifications