মুকুল অনুগামীদের কোনও ঠাঁই নেই! সঙ্ঘের কড়া পদক্ষেপে বিজেপি গিয়েও ওঁরা ‘না ঘরকা না ঘাটকা’
মুকুল অনুগামীদের এন্ট্রি দিতে নারাজ! সঙ্ঘের কড়া পদক্ষেপে ওঁরা ‘না ঘরকা না ঘাটকা’
মুকুল রায়ের বিজেপিতে যোগদানের পরই তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে তাঁর অনেক অনুগামী পদ্মশিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। আরও বড় পদ, আরও অর্থের লোভে তাঁরা মুকুলকে অনুসরণ করেছিলেন। কিন্তু মুকুল ও তাঁর অনুগামীদের জন্য এক এক করে দরজা বন্ধ করে দিল গেরুয়া শিবির। পদ্মশিবিরে যোগ দিয়েও সঙ্ঘের মর্যাদা পাচ্ছেন না তাঁরা।

বিজেপিতে যোগ দিতে দু-বার ভাববেন নেতারা
এখন তাঁদের না আছে ফেরার রাস্তা, না আছে বিজেপিতে কুলীন হওয়ার জোগাড়। সঙ্ঘ একে একে মুকুল ঘনিষ্ঠ সমস্ত নেতাদের থেকেই মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। ক্ষমতালোভী-পদলোভীদের সঙ্ঘ একেবারেই জায়গা দিতে নারাজ। তাই মুখের উপর দরজা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একে একে। এরপর তৃণমূল বা অন্য দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিয়ে দু-বার ভাববে নেতা-নেত্রীরা।

মুকুলের পথ ধরে ঢুকে পড়েছিলেন যাঁরা
মুকুল রায়ের হাত ধরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন এক ছাত্রনেতা। তিনি তৃণমূলে থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও খুব কাছের ছিলেন। সেই তিনিই দলের নিজের গুরুত্ব হারিয়েছিলেন নিজের কৃতকর্মের জন্য। এরপর তিনি মুকুলের পথ ধরে ঢুকে পড়েছিলেন বিজেপির অন্দরে।

মুকুল ঘনিষ্ঠ নেতাকে কোনও এন্ট্রি নয়!
সেই তিনি পদ্মশিবিরে গিয়ে স্বল্প দিনেই বোঝা হয়ে পড়েছেন। দিল্লিতে দরবার করে বিজেপির ছাত্র সংগঠনে তিনি নিজের জন্য পদ জোগাড় করতে পারেননি। এবিভিপি রাজ্য সম্পাদকের পদ পেতে আগ্রহী ছিলেন তিনি। কিন্তু সঙ্ঘ তাঁকে বেশিদূর যেতে দেয়নি। কেন্দ্র ও রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বকে সঙ্ঘ সাফ জানিয়ে দিয়েছে- মুকুল ঘনিষ্ঠ নেতাকে কোনও এন্ট্রি নয়।

বিজেপিতে ওঁরা ‘না ঘরকা না ঘাটকা’
এখন যা পরিস্থিতি সঙ্ঘ শিবিরে কোনওভাবে ঠাঁই দেওয়া হবে না মুকুল অনুগামীদের। মুকুল রায়ের অবস্থা বিজেপিতে না ঘাটকা না ঘরকা। ২০২১ বিধানসভা ভোটের আগে সঙ্ঘ এমনই এক সিদ্ধান্ত নিল যে রাজ্য বিজেপির কাছে মুকুল ঘনিষ্ঠ নেতা গুরুত্বহীন হয়ে গেলেন। কেননা বিজেপি সঙ্ঘের নির্দেশের বাইরে কোনও কাজ করে না।












Click it and Unblock the Notifications