তৃণমূল পারেনি, আরএসএস পৌঁছে গিয়েছে জঙ্গলমহলের ঘরে ঘরে! তা সম্ভব হল কোন অঙ্কে

তৃণমূল পারেনি, আরএসএস পৌঁছে গিয়েছে জঙ্গলমহলের ঘরে ঘরে! তা সম্ভব হল কোন অঙ্কে

বামেদের খর্ব করে জঙ্গলমহলের রাশ নিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু ১০ বছরের মধ্যেই তা আলগা হয়ে গিয়েছে, সৌজন্য আরএসএস। আরএসএসের দাপটে বিজেপি বেশ খানিকটা অ্যাডভান্টেজ পজিশনে চলে গিয়েছে। ২০১৯-এর ভোটে তার প্রমাণও মিলেছে। আর তারপর ২০২১-এর লক্ষ্য নিয়ে আরএসএস জঙ্গলমহলে জমি বানিয়ে গিয়েছে বিজেপির জন্য।

কীভাবে ক্ষেত্র তৈরি করেছে আরএসএস

কীভাবে ক্ষেত্র তৈরি করেছে আরএসএস

ঝাড়গ্রাম রাজ কলেজের সামনে কাঠের বেঞ্চযুক্ত শ্রেণিকক্ষটি অন্য কোনও বিদ্যালয়ের মতোই দেখতে। এগুলি বিশেষ স্কুল। আরএসএস পরিচালিত শিশু শিক্ষা কেন্দ্র। প্রাক-প্রাথমিক স্কুল। এই বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শুধু বই পড়াবেন না, খেলতে খেলতে তাঁরা শেখাবেন শিশুদের। এই স্কুলগুলি বাংলার উপজাতি সবুজ বেল্টে গভীর প্রভাব ফেলেছে।

আরএসএস একটি সুযোগ খুঁজছিল, তা পেতেই...

আরএসএস একটি সুযোগ খুঁজছিল, তা পেতেই...

জঙ্গলমহলের এই অঞ্চলে বামপন্থীরা দ্রুত হ্রাস পেয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার এই অঞ্চলে বেশ কয়েকটি উন্নয়নমূলক কাজ করেছে। একদা নকশাল কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রস্থলে আরএসএস একটি সুযোগ খুঁজছিল। আধুনিক কৃষিক্ষেত্রের প্রয়োজনীয়তা এবং ভালো চাকরি পাওয়ার জন্য মানুষের উচ্চাভিলাষকে পাথেয় করে আরএসএস প্রবেশ করে জঙ্গলমহলে।

জঙ্গলমহল নিয়ে আরএসএসের ভাবনায়

জঙ্গলমহল নিয়ে আরএসএসের ভাবনায়

জঙ্গলমহলের এই ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি হরিসভা বা ধর্মীয় ক্লাব স্থাপন করা হয়েছিল। ছাত্র হোস্টেল, একালব্য বিদ্যালয় বা কোচিং সেন্টারগুলি শুরু হয়েছিল। কাঁধে গামছা পরে স্থানীয় কৃষকরা ফসলের ফলন বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এমনকী পরিত্যক্ত আবাদযোগ্য নয় এমন জমিও চাষের উপযোগী করে তোলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আরএসএসের স্বয়ংসেবক থেকে বিজেপি কর্মী

আরএসএসের স্বয়ংসেবক থেকে বিজেপি কর্মী

আরএসএসের স্বয়ংসেবক হয়ে মানুষের সঙ্গে কাজ করেছেন তাঁরা। তারপর আস্তে আস্তে বিজেপিতে প্রবেশ ঘটেছে তাদের। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলকে প্রবল ধাক্কা দিয়েছে তারা। বলরামপুর পঞ্চায়েত সমিতির ২০টি আসনের মধ্যে বিজেপি ১৮টিতে জয়লাভ করেছিল। ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বলরামপুরে ৭টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং দুটি জেলা পরিষদ আসনও তারা দখল করেছিল।

জঙ্গলমহলে বহরে বেড়েছে আরএসএস-বিজেপি

জঙ্গলমহলে বহরে বেড়েছে আরএসএস-বিজেপি

আরএসএস এবং বিজেপি ছোট থেকে শুরু করে জঙ্গলমহলে নিজেরা বহরে বেড়েছে। স্বেচ্ছাসেবীরা দেখেছিলেন নলকূপ ও ড্রেনের মতো মৌলিক সুবিধা তাদেরকে ঝাড়গ্রামের মানুষের কাছে পৌঁছাতে সহায়তা করবে। এই এলাকায় উন্নয়ন আসার সাথে সাথে উচ্চাকাঙ্ক্ষা বেড়েছে। যুবকরা চাকরি চায়। তাই তারা প্রশিক্ষণ পেতে চায় ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দরকারে প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করেছে আরওসএস।

বিজেপি বিধানসভা আসনেও পুনরাবৃত্তি চায়

বিজেপি বিধানসভা আসনেও পুনরাবৃত্তি চায়

২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপি এই আসনটি জিতেছিল। তৃণমূলের হারের জন্য মনে করা হয় তৃণমূল-বিরোধী কংগ্রেস এবং বাম ভোটগুলি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিতে গিয়েছিল এবং বিজেপিকে জিততে সহায়তা করেছিল। কিন্তু আরএসএসের অবদান ভোলার নয়। এই সাফল্যের স্বাদ পেয়ে বিজেপি বিধানসভা আসনেও এটি পুনরাবৃত্তি করতে চায়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+