অধীরের লড়াই সহজ হচ্ছে না, লোকসভার আগে 'সৌজন্যে'র হাত সরিয়ে নিল বামফ্রন্ট
শেষপর্যন্ত বহরমপুরের সাংসদ তথা কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রার্থী দিল বামফ্রন্ট। আরএসপির তরফে প্রাক্তন বিধায়ক ইদ মহম্মদকে প্রার্থী খাঁড়া করা হল।
শেষপর্যন্ত বহরমপুরের সাংসদ তথা কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রার্থী দিল বামফ্রন্ট। আরএসপির তরফে প্রাক্তন বিধায়ক ইদ মহম্মদকে প্রার্থী খাঁড়া করা হল। ফলে অধীর চৌধুরীর লড়াই আরও একটু কঠিন হল এবার। এবার বহরমপুরে কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছেন অধীর। এবার তাঁকে প্রমাণ করতে হবে আজও তিনি 'মুর্শিদাবাদের রবীনহুড'।

তৃণমূলের জেলা পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী নিজে দায়িত্ব নিয়েছেন অধীর চৌধুরীকে হারানোর জন্য। তিনি বলেন, বহরমপুর তথা মুর্শিদাবাদ থেকে অধীরের নাম ও নিশান সব মুছে দেবেন রাজনৈতিকভাবে। সমস্ত প্রতিষ্ঠান দখল করে নিয়েছে তৃণমূল। এবার অধীরকে হারালেই ১৬ কলা পূর্ণ।
অধীর চেয়েছিলেন, বামেদের সঙ্গে জোট করে তৃণমূলের মোকাবিলা করতে। কিন্তু তা হয়নি। ফলে প্রায় প্রতি কেন্দ্রেই চতুর্মুখী লড়াই এবার। বামফ্রন্ট বহরমপুর আর মালদহ দক্ষিণ কেন্দ্রে কোনও প্রার্থী না দিতে মনস্থ করেছিল। কিন্তু আরএসপি বামফ্রন্টের সেই শর্ত মানেনি। এর ফলে বামফ্রন্টের অন্তর্দ্বন্দ্ব সামনে চলে এল।
অধীর চৌধুরীর প্রতি সিপিএমের 'সৌজন্য'কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেয় আরএসপি। বিজেপির বিরুদ্ধে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইয়ের স্বার্থে এই আসনটি অধীর চৌধুরী তথা কংগ্রেসকে ছাড়তে চেয়েছিল আরএসপি। কিন্তু জোট যখন হলই না, তখন এই সৌজন্যের কোনও অর্থ নেই। তাই জেলা নেতৃত্বের আবেদন মেনে প্রার্থী দেওয়া হল বলে জানান আরএসপির সাধারণ সম্পাদক ক্ষিতি গোস্বামী।
আরএসপির দাবি, বহরমপুর আসনটি তাঁদের জেতা আসন। ১৯৫২ সাল থেকে সবথেকে বেশিবার এই কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তাঁদের প্রতিনিধি। মাঝে শুধু ১৯৮৪ সালে জিতেছিলেন অতীশচন্দ্র সিনহা আর হালে ১৯৯৯ থেকে জিতে আসছেন অধীর চৌধুরী।












Click it and Unblock the Notifications