মেজাজ হারালেন ‘দ্রৌপদী’, আঙুল উঁচিয়ে তাড়া পুলিশকে
এর আগেও রণংদেহী মুর্তিতে বারবার দেখা গিয়েছে ‘মহাভারতের দ্রৌপদী’কে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে তিনি বরাবরই চাঁছাছোলা। আবারও তাঁর মেজাজ সপ্তমে চড়ল।
মেদিনীপুরে দলীয় কর্মসূচিতে গিয়ে একেবারে রণংদেহি মেজাজে দেখা গেল বিজেপি সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়কে। মেদিনীপুর সার্কিট হাউসে ঢুকতে বাধা দেওয়ায় মেজাজ হারালেন 'দ্রৌপদী' রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। আঙুল উঁচিয়ে পুলিশকে নির্দেশ দিলেন- 'দরজা বন্ধ কেন, কারও নিজের পয়সায় বানানো নাকি? খোলো দরজা।' পুলিশের নিষেধ তোয়াক্কা করেই তিনি ২০-২৫ জন পারিষদ নিয়ে প্রবেশ করেন সার্কিট হাউসে।
নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে ও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে বৃহস্পতিবার লালবাজার অভিযান বিজেপি-র। তার আগে মেদিনীপুরে ওই কর্মসূচির প্রস্ততি নিতে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়। সেই মিছিল শুরুর আগেই সার্কিট হাউসে যান রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। সেইসময় দলীয় কর্মীদের নিয়ে সার্কিট হাউসে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় তাঁকে।

এরপরই পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপি সাংসদ। পুলিশের তরফে তাঁকে জানানো হয়, আপনি একা যেতে পারেন, কিন্তু অন্যান্যদের ঢুকতে দেওয়া হবে না। রূপা পাল্টা প্রশ্ন করেন, কেন ঢুকতে দেওয়া হবে না? আমি পুরো নেতৃত্ব নিয়েই ঢুকবো। কোনও আন্দোলন হবে না। ওখানে আমারা মিটিং করব। কোনও স্লোগান হবে না।
তখন পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয় অল্প কয়েকজনকে নিয়ে তিনি ঢুকতে পারেন। রূপা বলেন, আমি ২৫ জনকে নিয়ে ভিতরে যাবো। এরপরই রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে স্লোগান তোলা হয়। জয়ধ্বনি দেওয়া হয়। ঢোকার সময় রূপাদেবী বলেন, এটা কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজস্ব বাংলো? মমতা দিদি কি এটা বানিয়েছেন? তাহলে কেন দরজা বন্ধ। দরজা খুলুন। ভিতরে ঢুকে কাঁচের দরজা বন্ধ দেখে ফের অগ্নিশর্মা রূপা।
তিনি বলেন, এটা যখন কারও ব্যক্তিগত টাকায় বানানো নয়, দেড় মিনিট সময় দিলাম, তার মধ্যে খুলতে হবে দরজা। তার মধ্যেই অবশ্য দরজা খুলে যায়। তিনি বলেন, এরকম অসভ্যতা একমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই চলে। দিলীপদা-লকেটকে নিয়ে কুৎসিত মন্তব্য করতেও বাধে না।












Click it and Unblock the Notifications