গোবিন্দপুর রেল বস্তিতে গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কা! এলাকা সিল করল পুলিশ
গোবিন্দপুর রেল বস্তিতে গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কা! এলাকা সিল করল পুলিশ
কলকাতায় প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। বস্তি এলাকাগুলি এই বাইরে নয়। রাজ্য সরকারের উদ্বেগ বেড়েছে গোবিন্দপুর রেল করোনি নিয়ে। সেখানে সম্প্রতি একসঙ্গে ২৩ জনের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। আপাতত পুলিশ পাঠিয়ে এলাকা সিল করে দেওয়ার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

পুরসভার বিশেষ অভিযান
সূত্রের খবর অনুযায়ী এদিন এলাকায় যায় পুরসভার বিশেষ মেডিক্যাল টিম। সন্দেহভাজনদের লালারস পরীক্ষার বন্দোবস্ত করা হয়। অন্যদিকে স্বাস্থ্য দফতর কন্টেইনমেন্ট জোন ঘোষণার পরে এলাকা জীবাণু মুক্ত করতে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। নজর দেওয়া হয়েছে মোল্লাহাটি বস্তি এবং রহিম ওস্তাগার রোডও।

উচ্চবিত্তদের আবাসন এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় আতঙ্ক
এলাকা লাগোয়া গোলপার্ক হাউজিং কো-অপারেটিভে বেশ কয়েকজনের করোনা রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে। এই আবাসনে টলিউডের পরিচালক, অভিনেত্রীরা থাকেন। তাই সেখানে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এছাড়াও আতঙ্ক ছড়িয়েছে, সেলিমপুর, লেক গার্ডেন্স, যোধপুর পার্ক, গলফগ্রিন, ঢাকুরিয়া, পোদ্দারনগর এলাকা। কেননা এই বস্তির অনেকেই এই সব এলাকায় পরিচারিকা কিংবা অন্য জীবিকা ও পেশার সঙ্গে যুক্ত।

উপসর্গহীন বস্তিবাসীরাই ভীতির কারণ
স্থানীয়রা বলছেন উপসর্গহীন বস্তিবাসীরাই ভীতির কারণ হয়ে উঠেছেন। কেননা সেখানকার বহু মানুষ শহরে বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত। রয়েছেন বহু ট্যাক্সিচালকও। স্থানীয় ওয়ার্ডের প্রশাসক রতন দে অবস্থার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্য দফতর বস্তিতে গোষ্ঠী সংক্রমণ হয়েছে বলে মনে করছে।

বেলগাছিয়া, বাগবাজার বস্তির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর শুরুর দিকে বেলগাছিয়া, বাগবাজার বস্তিতে একের পর এক করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর এসেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুরসভা।

দায়ী উদাসীনতা
একই বস্তিতে একসযঙ্গে ২৩ জনের সংক্রমিত হওয়ার ঘটনায় মাস্ক না পরাকে দায়ী করেছেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী তথা পুরসভার মুখ্যপ্রশাসক ফিরহাদ হাকিন। তিনি বলেন, সামাজিক দূরত্ব না মানলে আর মাস্ক না পরলে ২৩ জন কেন, আরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হবেন।












Click it and Unblock the Notifications