ফাঁসি কাঠে সঞ্জয় নাকি আরও বড় সাজা! জল্পনার মধ্যেই অভয়ার মা বললেন... হুলস্থূল বাংলায়
RG Kar Rape and Murder Case: আগামী ১৮ জানুয়ারি আরজি কর ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার সাজা ঘোষণা করবে শিয়ালদহ আদালত। দীর্ঘ প্রায় ৬০ দিন ধরে এই সংক্রান্ত মামলার বিচার প্রক্রিয়া। নেওয়া হয়েছে প্রায় ৫২ জনের সাক্ষ্য। একই সঙ্গে একাধিক দিক খতিয়ে দেখা হয়েছে। সিবিআই'য়ের তরফে ধৃত সঞ্জয় রায়ের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। তা কী? ফাঁসি? নাকি অন্য কিছু...তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।
আর এর মধ্যেই (RG Kar Rape and Murder Case) চাঞ্চল্যকর দাবি অভয়ার মা-বাবার। আজ বৃহস্পতিবার আদালতেই উপস্থিত ছিলেন তাঁরা। শুনানি শেষে আদালত থেকে বেরিয়ে সিবিআই তদন্ত নিয়ে তীব্র অসন্তোষ উগরে দেন। বলেন, আমরা কখনও সিবিআই তদন্ত চাইনি। একটা পৃথক কোনও এজেন্সিকে দিয়ে যাতে তদন্ত করানো হয় সেই সংক্রান্ত দাবি জানানো হয়।

তাঁদের কথায়, কখনই এই ঘটনার সঙ্গে একজন যুক্ত থাকতে পারে না। বড় আরও মাথা আছে। আবারও নতুন করে গভীরে ঢুকে যাতে তদন্ত হয় সেই দাবি জানান নির্যাতিতার বাবা-মা। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।
কার্যত একই অসন্তোষ এদিন ধরা পড়েছে আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের বক্তব্যেও। বিচারের দাবিতে আজ বৃহস্পতিবার ফের পথে নামেন তাঁরা। এই বিষয়ে তাঁদের দাবি, একা সঞ্জয় নয়, অনেক মাথা জড়িত আছে এর মধ্যে। বিশেষ কিছু রিপোর্টেও এই বিষয়ে উল্লেখ আছে। সেই সমস্ত লোকেদের কি হবে? কেন তাদের এখনও ধরা গেল না? তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন জুনিয়র চিকিৎসকদের। ফলে আদালত এই সংক্রান্ত সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করলেও আন্দোলন থেকে যে সরে যাচ্ছেন না তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা।
এই বিষয়ে বর্ষীয়ান এক চিকিৎসক বলেন, ঘটনার দিন সেমিনার রুমে একাধিক ব্যক্তিকে দেখা যায়। তাঁদের কাউকে ধরতে পারা যায়নি। এমনকি চার্জশিট দিতে না পারার জন্য আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ জামিন পেয়ে গেল। ফলে সিবিআই তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। নতুন করে এই সংক্রান্ত মামলার তদন্ত যাতে করা হয় সেই সংক্রান্ত আবেদন আদালতে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ওই চিকিৎসক।
অন্যদিকে সিবিআই'য়ের দাবি, এই মামলার তদন্ত শেষ হচ্ছে না। বৃহত্তর 'ষড়যন্ত্রে'র খোঁজে গভীরে গিয়ে তদন্ত চলবে বলেই জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications