RG Kar Incident: মমতার অনুভূতি নেই, নিরামিষ আন্দোলনে কিছু হবে না! বললেন শুভেন্দু, এবার আরও বড় খেলা
RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডে আন্দোলনের ঝাঁঝ তীব্রতর হোক। চাইছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি মনে করেন, নিরামিষ আন্দোলনে কিছু হবে না।
শুভেন্দুর কথায়, আমাদের তাড়াহুড়ো নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনে হারিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরাব।

ছাত্র সমাজের নবান্ন চলো অভিযানের মতোই গণ আন্দোলন চান শুভেন্দু। সেদিনের কর্মসূচিতে গ্রেফতার হওয়া ১৯৮ জন জামিনে ছাড়া পেয়েছেন। তাঁদের সংবর্ধিত করা হয় শুভেন্দুর নেতৃত্বে। শুভেন্দু বলেন, লক-আপে ২৪-২৫ জনকে রাখা হয়েছিল। জামা-কাপড় বদলের সুযোগ দেওয়া হয়নি। বাড়ির লোকদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তাতেও আন্দোলনকারীদের স্পিরিট দমাতে পারেনি।
শুভেন্দু বলেন, সরকার চাপে পড়েছিল একদিনই, অগাস্টের ২৭ তারিখ। নিরামিষ আন্দোলনে কিছু হবে না। আমি তৃণমূলকে ভালো করে চিনি, ২১ বছর দল করেছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওদিন সকাল ১০টায় নবান্নতে আসেন না। সেদিন ১০টার আগে পৌঁছন। মন্ত্রীদের ডেকে এনেছিলেন। তাঁরা ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ নবান্নতেই করেন।
শুভেন্দু বলেন, সেদিন একটার পর একটা ব্যারিকেড যখন ভাঙছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৪ তলায় তখন উত্তেজিত। সাড়ে ১৪ হাজার পুলিশ নামিয়েছিলেন। সব জেলা থেকে জলকামান আনা হয়। গ্যাস ভর্তি বজ্র ছিল। জলকামানের জল শেষ হলে সাঁতরাগাছিতে হাই ড্রেনের জল ভরে জলকামান চালানো হয়। ভিডিও আছে।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কথায়, নড়াতে হলে ২৭ তারিখরে মতো নড়াতে হবে। ওঁর কোনও অনুভূতি নেই। স্বাস্থ্য ভবনের সামনে সাত দিন বসে থাকলেও ওঁর কিছু যায়-আসে না। যিনি আমার কাছে হেরে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে পদত্যাগ করিয়ে ভোটে লড়ে মুখ্যমন্ত্রী হন, তাঁর ক্ষমতা ছাড়া কোনও অনুভূতি নেই। আমি জানি কী করতে হয়। প্রস্তুতি চলছে।
শুভেন্দু বলেন, চাকরি দাও, নয়তো বাড়ি যাও এই দাবিতে আন্দোলন হবে। ফের ব্যারিকেড ভাঙার মতো আন্দোলন করতে হবে। বেকারত্ব বড় সমস্যা। আমি সমমনোভাবাপন্ন চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলব। নন্দীগ্রাম ও নেতাইকে কেন্দ্র করে জঙ্গলমহলের গণ-আন্দোলনে সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলাম। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বিজেপির সতীর্থদের নিয়ে ফের বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু।
আজ বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালকে জুনিয়র চিকিৎসকরা গো ব্যাক স্লোগান দেননি বলে দাবি শুভেন্দুর। তিনি কয়েকজনকে চিহ্নিত করে নিশ্চিত হয়েছেন এঁরা যাদবপুর থেকে আসা। ফলে চিকিৎসকদের আন্দোলনে কারা মিশে থাকছেন সে জন্য সতর্ক থাকার বার্তা দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, চিকিৎসকরা ন্যায্য দাবিতেই আন্দোলন করছেন।
শুভেন্দু আরও বলেন, আন্দোলনকারীরা তো মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চাননি। স্বাস্থ্য সচিব, পুলিশ কমিশনারদের পদত্যাগ চেয়েছেন। যদিও মমতাই রাজ্য চালান, বাকিরা ল্যাম্পপোস্ট। মুখ্য সচিব তো একটা লাইন লিখলেই হয়ে যেত যে, আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবি মেনে নেওয়া হলো। আমরাও চাই আলোচনায় সমস্যা মিটুক। ন্যায়বিচারের দাবি চলবেই। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির লোক চিকিৎসা করাতে বিদেশে যান। গরিব মানুষ যান সরকারি হাসপাতালে। তাই সমস্যা মিটিয়ে জুনিয়র চিকিৎসকরা কাজে ফিরুন, সেটা আমরাও চাই। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টেও দেখা গিয়েছে রাজ্য সরকার ন্যায়বিচার ঠেকাতে কতটা মরিয়া ছিল।












Click it and Unblock the Notifications