RG Kar Incident: বৈঠকের থেকেও বেশি সময় ধরে চলছে কার্যবিবরণী লেখা! কাল বড় পদক্ষেপ করতে পারে রাজ্য
RG Kar Incident: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠক চলেছে ২ ঘণ্টা ৫ মিনিট। কিন্তু তার চেয়ে বেশি সময় লাগছে বৈঠকের কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ করতে।
বৈঠকের কার্যবিবরণী বা মিনিটসে দুই পক্ষ সহমতে পৌঁছলে, তবেই হবে স্বাক্ষর। বেশ কিছু শব্দ নিয়ে দফায় দফায় মুখ্য সচিবের সঙ্গে আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের আলোচনা চলছে বলে সূত্রের খবর। নিজের অফিসে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আজ সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে শুরু হয়ে বৈঠক চলে রাত ৮টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত। তারপরই জুনিয়র চিকিৎসকদের বাস নিয়ে যাওয়া হয় মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে। মনে করা হচ্ছিল, বৈঠকের পর কিছুক্ষণের মধ্যেই বেরিয়ে আসবেন আন্দোলনরত চিকিৎসকরা।
যদিও বৈঠক শেষের পর পেরিয়ে গিয়েছে আড়াই ঘণ্টা। যেহেতু বৈঠকে যাঁরা যোগ দিতে গিয়েছেন সকলকেই ফোন রেখে যেতে হয়েছে। ফলে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। মিনিটস লেখার প্রক্রিয়া শেষ না হলে আন্দোলনরতন চিকিৎসকরা বেরোবেন না বলে খবর।
সূত্রের খবর, বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল-সহ কয়েকটি হাসপাতালের উদাহরণ দিয়ে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে ফিরে জরুরি পরিষেবা চালু রাখার অনুরোধ করা হয়েছে। সরকারের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, কোনও চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজগুলিতে সিনিয়র সঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
আন্দোলনরত চিকিৎসকরা যে সরকারি হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন তার প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের আশ্বাস, নিরাপত্তার বন্দোবস্ত ও পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে।
কলকাতার নগরপাল, স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিকর্তা, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তাদের পদত্যাগের দাবির কথাও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রাখেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। দুই আইপিএস অফিসারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁদের শাস্তির দাবিও জানানো হয় বলে সূত্রের খবর।
যদিও রাজ্য সরকার বলছে, শীর্ষ আধিকারিকদের বদলি এভাবে একটা বৈঠকের ভিত্তিতেই হয় না। পদক্ষেপ করার আগে তা বিবেচনা করে প্রশাসনিক স্তরে গৃহীত হতে হয়। এক দফা আলোচনায় সরানো যায় না কাউকে। সুপ্রিম কোর্টের শুনানির কথা তুলে ধরে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে যোগ দেওয়ার অনুরোধ করা হয়।
যেহেতু বৈঠকের কার্যবিবরণী লিপিবদ্ধ হওয়ার পর তাতে দুই পক্ষের স্বাক্ষর থাকবে তাতে শব্দচয়ন খুব গুরুত্বপূর্ণ। আইনি লড়াইয়েও যা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। ফলে বৈঠকে মৌখিক যা আলোচনা হয়ে তা স্বাক্ষরিত কার্যবিবরণীতে হুবহু উপযুক্ত শব্দ-সহ যাতে তুলে ধরা হয় সে বিষয়ে সতর্ক রাজ্য সরকার ও আন্দোলনরত চিকিৎসকরা। সে কারণেই আইনানুগ সমস্ত দিক দেখেই মিনিটস লেখার কাজ চলছে।
এরই মধ্যে জানা যাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠক করতে পারেন। এমনকী কাল সুপ্রিম কোর্টের শুনানির আগে বা পরে কোনও বড় ঘোষণা করা হতে পারে রাজ্য সরকারের তরফে। আজ সদর্থক বৈঠক হয়েছে বলেই খবর। আন্দোলনরত চিকিৎসকদের দাবি মেনে সমস্যা সমাধানে পুলিশ বা আমলাদের স্তরে কোনও বড় পদক্ষেপ হবে কিনা তা নিয়ে জল্পনা রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications