RG Kar Doctors' Protest: আন্দোলনের জয়ে নতি স্বীকার রাজ্য সরকারের, দাবি জুনিয়র চিকিৎসকদের, কর্মবিরতি চলবে
RG Kar Doctors' Protest: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেশিরভাগ দাবি মেনেছেন। তবে এখনও সব দাবি পূরণ হয়নি। আন্দোলনের জয়ে নতি স্বীকার রাজ্য সরকারের। বক্তব্য আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের।
সুপ্রিম কোর্টের শুনানির দিকে নজর রেখে জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়ে দিলেন, মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করলেও এখনই তাঁরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করছেন না।

আন্দোলনরত চিকিৎসকরা মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন থেকে বেরিয়ে বাসে করে সোজা চলে যান স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অবস্থানমঞ্চে। সেখানে সাংবাদিক বৈঠকে জুনিয়র চিকিৎসকরা বলেন, ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলনের ৩৮তম দিনে আমরা গিয়েছিলাম মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করতে। বলে গিয়েছিলাম সদিচ্ছা দেখাচ্ছি আলোচনায় বসার। ৫ দফা দাবি নিয়েই আলোচনা করতে যাচ্ছি।
আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের কথায়, দুই তরফে মিনিটস লেখার দাবি আমাদের চাপে মানতে বাধ্য হয়েছে সরকার। দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়েছে। আলোচনার কিছুটা সদর্থক। কিছুটা অসম্পর্ণ থেকে গিয়েছে। তবে সেই সংক্রান্ত দাবিদাওয়া নিয়ে ফের আলোচনার আশ্বাস মিলেছে।
জুনিয়র চিকিৎসকরা বলেন, আমাদের দাবি ছিল নগরপাল বিনীত গোয়েলের অপসারণ। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, তিনি নগরপালকে সরিয়ে দেবেন। এটা আন্দোলনের বড় জয়। স্বাস্থ্য ভবন সাফাইয়ের ডাক দিয়েছিলাম। স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তাকে সরানোর ঘোষণা হয়েছে।
নির্যাতিতার বাবা-মাকে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ছিল ডিসি নর্থের বিরুদ্ধে। তাঁকেও সরানো হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের কথায়, সাধারণ জনগণের আন্দোলনের চাপে নতিস্বীকার করল রাজ্য প্রশাসন।
যদিও আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা বলেন, এরপরেও জরুরি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ তথ্যপ্রমাণ লোপাট, সিন্ডিকেট দুর্নীতি চালানো স্বাস্থ্য সচিবের অপসারণ। এ নিয়ে ফের আলোচনার অবকাশ আছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, দাবি জুনিয়র চিকিৎসকদের। তবে মৌখিক আশ্বাসের বাস্তবায়ন না হওয়া অবধি কর্মবিরতি চলবে বলে জানিয়ে দিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।
জুনিয়র চিকিৎসকদের কথায়, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হবে। তারপর আমরা প্রত্যেক কলেজের জুনিয়র চিকিৎসকরা সকলে মিলে মির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছব। তার আগে নয়।
আন্দোলনকারী চিকিৎসক অনিকেত মাহাত বলেন, তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে নানা দিক বৈঠকে তুলে ধরি। ডিসি নর্থের কথা উঠতেই সরকার মাথা নত করে তাঁকে সরাতে বাধ্য হয়েছে। সন্দীপ ঘোষের বাড়বাজডন্ত কার জন্য, সেটাও আমরা বলেছি।
অনিকেতের কথায়, বারবার আমরা বলেছি আলোচনায় বসতে চাই। আমাদের যে সদিচ্ছার অভাব ছিল না সেটা দেখিয়েছি। আমাদের যে ন্যায়বিচারের দাবি ৩৮ দিনের তদন্ত প্রক্রিয়া দেখে সিএম এটা বলতে বাধ্য হলেন যে, সিপিকে সরিয়ে দিতে হবে। আমরা মনে করি এটা সকলের জয়। চিকিৎসক, সিস্টার, সাধারণ মানুষের। তাঁদের সমর্থন না থাকলে এটা আমরা করতে পারতাম না।
ফলে বোঝাই যাচ্ছে, ডিসি সেন্ট্রাল ও স্বাস্খ্য সচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার যে দাবি জুনিয়র চিকিৎসকরা করে যাচ্ছেন তা পূরণ করতেও সরকারের উপর চাপ বজায় রাখতে চান তাঁরা। থ্রেট কালচার দমন, রোগী কল্যাণ সমিতির মতো দুর্নীতির আঁতুড়ঘর নিয়ে পদক্ষেপের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পরিবেশ না ফেরালে টাকা বরাদ্দ করেও লাভ কিছুই হবে না বলে দাবি জুনিয়র চিকিৎসকদের।












Click it and Unblock the Notifications