RG Kar Incident: চন্দ্রিমার মন্তব্যে চিকিৎসকদের আন্দোলনের আগুনে ঘৃতাহুতি, রাজনৈতিক অভিসন্ধির কথা আসছে কেন?
RG Kar Incident: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর এক পাশে মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ ও অপর পাশে ডিজি রাজীব কুমারকে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাতেই শুরু নয়া বিতর্ক।
চন্দ্রিমা বলে ফেলেন, চিকিৎসকদের আন্দোলনে রাজনীতি রয়েছে! আর সেই বক্তব্যের জোরালো প্রতিবাদ করলেন স্বাস্থ্য ভবনের অদূরে আন্দোলনরত চিকিৎসকরা।

চন্দ্রিমা বলেন, চিকিৎসকরা শর্ত দিয়ে সিএমও বা মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে মেল করেছিলেন ভোর ৩টে ৪৯ মিনিটে। এটা কি করা যায়? এতেই বোঝা যাচ্ছে, এই আন্দোলনের পিছনে রাজনীতি রয়েছে। কোনও শর্ত দিয়ে আলোচনা করা যায় না। আলোচনা করতে হয় খোলা মনে।
যদিও এরপরই আন্দোলনরত চিকিৎসকরা রাজ্য সরকারের এদিনের সাংবাদিক বৈঠকের বক্তব্যের বিরোধিতা করেন। তাঁদের স্পষ্ট কথা, আমাদের আন্দোলনে ২৬টি মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে। সকলের সঙ্গে কথা বলেই আমরা মেল পাঠিয়েছিলাম। আমাদের আন্দোলন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক।
জুনিয়র চিকিৎসকদের সংগঠনের তরফে ইতিমধ্যেই বৈঠক ডাকা হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্যকে মান্যতা সকলেই দিতে প্রস্তুত। তবে যে দাবিগুলিকে সামনে রেখে আন্দোলন চলছে তাকে ন্যায়সঙ্গত মনে করছে না রাজ্য সরকার। যা দুর্ভাগ্যজনক।
রাজ্যের ডিজি রাজীব কুমারও বলে ফেলেন, ভুল পথে না গিয়ে আলোচনায় আসুন। এই বক্তব্যগুলি থেকেই জুনিয়র চিকিৎসকরা মনে করছেন, ন্যায়বিচারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলনে রাজনৈতিক রং লাগাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে রাজ্য সরকার। কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিএমওতে ভোরে মেল পাঠালেই সেটা রাজনীতি হয়ে যায়? উঠছে প্রশ্ন।
মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ বা ডিজি রাজীব কুমারের কথায় বারবার উঠে এসেছে, সরকারি হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার কথা। সে বিষয়ে আলোচনা হতো বলে দাবি মনোজের। কিন্তু জুনিয়র চিকিৎসকদের কথায়, আমাদের আরও দাবিগুলি নিয়ে তো একটা কথাও বলল না সরকার!
জুনিয়র চিকিৎসকদের দাবি, আমরা খোলা মন নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করতে চেয়েছি। ফ্রন্টের সকলের প্রতিনিধিত্ব সুনিশ্চিত করতেই বৈঠকে ৩০ জনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। লাইভ সম্প্রচারও তো হয়ে থাকে নবান্নের বৈঠকে। নবান্ন সভাঘরে কয়েকশো লোককে নিয়েও তো মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করেন। তাহলে সমস্ত দাবি নিয়ে খোলা মনে আলোচনায় লাইভ সম্প্রচার হলে ক্ষতি কী?
যাঁর প্রতিবাদ চাওয়া হচ্ছে প্রথম মেল সেই স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম করেছিলেন। সেই মেলে উল্লেখ ছিল না মুখ্যমন্ত্রীও বৈঠকে থাকবেন। তাছাড়া জুনিয়র চিকিৎসকদের প্রতিনিধির সংখ্যা নিয়ে প্রথম থেকে রাজ্য সরকারই তো শর্ত দিচ্ছে। গতকালের চেয়ে আজ সামান্য বাড়ানো হয়েছে সেই সংখ্যা। তাহলে খোলা মন কোথায়?












Click it and Unblock the Notifications