আরজি কর কাণ্ড: এখনই বহিষ্কার করা যাবে না ৫১ জন চিকিৎসককে, নির্দেশ হাইকোর্টের
আপাতত স্বস্তি পেলেন আরজি কর হাসপাতালের ৫১ চিকিৎসক। তাঁদের বিরুদ্ধে সাসপেনশন ও বহিষ্কারের নির্দেশ ছিল। কলকাতা হাইকোর্ট সেই নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে।
আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ঘটে। একের পর এক অভিযোগ উঠে আসতে থাকে। শুধু তাই নয়, থ্রেট কালচারের কথাও সামনে আসে। আরজি কর হাসপাতালের ৫১ জন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তাদের মধ্যে আট জন আদালতের দ্বারস্থ হন। বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে এই মামলা উঠেছিল। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের অবসরকালীন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। সেখানেই বড় নির্দেশ দিলেন বিচারপতি৷ বহিষ্কারের নির্দেশের উপরে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হল, আপাতত বহিষ্কারের নির্দেশ কার্যকর করা যাবে না।
গত ৫ অক্টোবর এই বহিষ্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশের উপরেই স্থগিতাদেশ দেওয়া হল। আট জন চিকিৎসক আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কেন বহিষ্কার করা হল, সেই বিষয়টি স্পষ্ট নয়। এই কথা জানিয়েছেন তাঁদের আইনজীবী।
আরজি কর হাসপাতালের তরফে আইনজীবী জানান, রিড্রেসাল সেলের প্রধান মুখ্যসচিব। কলেজ শুধু অভিযোগ কমিটির কাছে পাঠাতে পারে। বহিষ্কারের বিষয়ে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। অনিকেত মাহাতোর আইনজীবীর তরফে জানানো হয়, ৫০০ জন রেসিডেন্ট চিকিৎসক তাদের বিরুদ্ধে থ্রেট কালচারের অভিযোগ করেছেন। অথচ মামলায় সেই সব অভিযোগকারীকে পার্টি করা হয়নি।
সেই কথার প্রেক্ষিতে, পার্টি হওয়ার ক্ষেত্রে আবেদন করা যেতে পারে। এই কথা বলেন বিচারপতি। তবে এখন কোনও বহিষ্কার নয়। তাও পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়। ৫১ জনের ক্ষেত্রেই এই নির্দেশ কার্যকর হবে। এই কথা জানানো হয়েছে৷
গতকাল নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে এই ৫১ জনের প্রসঙ্গ উঠেছিল। সরকারকে না জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ সেই বিষয়ে উষ্মাপ্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications