RG Kar Hospital: সন্দীপ ঘোষ সহ চারজনকে হেফাজতে চাইল না সিবিআই, তীব্র ভর্ৎসনা আদালতের
RG Hospital Death Case: আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ সহ চারজনকে হেফাজতে চাইল না সিবিআই। প্রয়োজনে পরে তাঁদের ফের হেফাজতে নেওয়ার দাবি জানানো হবে। আর এই গোটা প্রক্রিয়ায় এদিন আদালতের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হল সিবিআইকে।
গত কয়েকদিন আগে একই ভাবে ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় (RG Hospital Death Case) সিবিআইকে আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। মামলার শুনানিতে আইনজীবী না থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে শিয়ালদহ কোর্ট। এমনকি মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে জামিন দিয়ে দেওয়ার কথাও শোনা যায় বিচারককে বলতে।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এমন হালচাল নিয়ে রীতিমত প্রশ্ন তৈরি হয়। আর এর মধ্যেই ফের বিতর্ক। সন্দীপ ঘোষ সহ চারজনকে হেফাজতে নিল না কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হেফাজত শেষে আজ আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় ধৃত প্রাক্তন অধ্যক্ষ সহ চারজনকে আদালতে তোলা হয়। সময়ের শুরু থেকেই একাধিক জটিলতার মুখে পড়তে হয় তদন্তকারী সংস্থাকে।
নিরাপত্তার অভাবে ভার্চুয়াল শুনানির আবেদন জানানো হয়। যদিও তা আদালত তা খারিজ করে দেয়। এরপর কড়া নিরাপত্তায় আদালতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বিচারকের সামনে হাজিরা করানো হয় সন্দীপ ঘোষ সহ চারজনকে।
এক্ষেত্রে আদালতে সিবিআই'য়ের আইনজীবী শুনানিতে যুক্তি দেন, বেশ কিছু ডিজিটাল এভিডেন্স উদ্ধার হয়েছে। আর তা ক্লোনিং করার জন্য আবেদন করা হয়েছে। আর সেই রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত সন্দীপ ঘোষ সহ চারজনকে জেলে রাখার আবেদন জানানো হয়। বাকি ৭ দিনের সিবিআই হেফাজতের জন্য পরে আবেদনের কথাও জানানো হয়।
আর সেই আবেদন মেনে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এদিন মামলার শুনানিতে বিচারকের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সিবিআই'য়ের আইনজীবীকে। বেশ কিছু প্রশ্ন তোলেন বিচারক।
বলেন, ভবিষ্যতে রায় কী হবে, তা এখন থেকেই ঠিক করতে চাইছেন? পরিস্থিতি বুঝে সেই সময় নির্দেশ দেওয়া হবে বলে জানান বিচারক। এই বিষয়ে সিবিআই'য়ের আইনজীবী নতুন 'ন্যায় সুরক্ষা সংহিতা'র কথা বিচারককে জানান। আর তা মেনেই যে আদালতের কাছে তাঁরা এই আবেদন জানাচ্ছেন সেই উল্লেখও করেন।
সওয়ালে বলেন, পরের সাতটা দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রিপোর্টের অপেক্ষা করছেন। আর সেটা এলেন ফের সন্দীপ ঘোষ সহ চারজনকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানান আইনজীবী।
শুধু তাই নয়, 'ভারতীয় ন্যায় সুরক্ষা সংহিতার ১৮৭ ধারার ২ উপধারা'য় এই বিষয়ে ব্যাখ্য আছে বলেও আইনজীবী জানান। আর সেই অনুযায়ী প্রয়োজনে তদন্তের স্বার্থে অপরাধীকে ১৪ + ৬০ দিনের হিসাবে হেফাজতে নেওয়া যায় বলেও জানায় সিবিআই।












Click it and Unblock the Notifications