Covid 19 guidelines: কোন কোন ক্ষেত্রে ছাড়ের ঘোষণা! কবে চলবে বাংলায় লোকাল ট্রেন? যা বললেন মুখ্যমন্ত্রী
১৫ জুলাই পর্যন্ত বিধি নিষেধ কার্যকর থাকলেও একাধিক ক্ষেত্রে ছাড়ের ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ১ জুলাই রাজ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ে কার্যত কড়া লকডাউন শেষ হচ্ছে। আর তাঁর আগে করোনার বিধি নিষেধ নিয়ে কড়া নির্দেশিকা সামনে
১৫ জুলাই পর্যন্ত বিধি নিষেধ কার্যকর থাকলেও একাধিক ক্ষেত্রে ছাড়ের ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ১ জুলাই রাজ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ে কার্যত কড়া লকডাউন শেষ হচ্ছে। আর তাঁর আগে করোনার বিধি নিষেধ নিয়ে কড়া নির্দেশিকা সামনে আনলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তবে নয়া বিধিতে একগুচ্ছ ছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে।
সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে কার্যত পরীক্ষামূলক ভাবে একগুচ্ছ ছাড়ের কথা বলা হয়েছে। প্রয়োজনে ফের কড়া বিধি নিষেধ লাঘু করা হবে বলে কার্যত ইঙ্গিত রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের কথাতেই।

এখনই ট্রেন চালু হচ্ছে না
সংক্রমণের আতঙ্ক রয়েছে। গত কয়েকদিন আগেই মমতা জানান, লোকাল ট্রেন চালু হলেই ফের সংক্রমণ বাড়বে। আজ সোমবার নতুন করে করোনা বিধি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তাতে লোকাল ট্রেন চালু করার কথা বলা হয়নি। শুধু তাই নয়, মেট্রো চালু হবে না। অর্থাৎ আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যে লোকাল ট্রেন এবং মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকছে। তবে যেমন ট্রেন কিংবা মেট্রো স্পেশাল চলছে তেমনই চলবে।

সরকারি এবং বেসরকারি বাস পরিষেবা চালু হতে চলেছে
১ জুলাই থেকে সরকারি এবং বেসরকারি বাস পরিষেবা চালু হতে চলেছে। তবে শর্ত সাপেক্ষে এই ছাড় দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা অনুযায়ী, মাত্র ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়েই চালাতে হবে বাস পরিষেবা। ভিড় হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের।

দোকান খোলা রাখার ক্ষেত্রেও নিয়মে বদল
এছাড়াও বাজার দোকান খোলা রাখার ক্ষেত্রেও নিয়মে কিছু বদল আনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা অনুযায়ী, এখন থেকে বাজার খোলা থাকবে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। আগে বাজার খোলা থাকত সকাল ১১ টা পর্যন্ত। এখন তা আরও এক ঘন্টা বাড়ানো হল। তবে মুদিখানা সহ সহ অন্যান্য সমস্ত দোকান খোলা রাখার সময়সীমাতেও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। যেমন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকবে।

৫০ শতাংশ নিয়ে খুলবে সেলুন-পার্লার
শর্ত সাপেক্ষে সেলুন এবং পার্লার খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে নবান্নের তরফে। সকাল ১১টা থেকে বিকেলে ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে এই সমস্ত দোকান। তবে ভিড় করতে দেওয়া চলবে না। মাত্র ৫০ শতাংশ লোককেই সেলুন কিংবা পার্লারের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া চলবে না। সমস্ত কর্মচারীদের ভ্যাকসিন নেওয়া থাকতে হবে। না হলে প্রশাসনের তরফে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। জিমের ক্ষেত্রেও ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ অনুসারে, জিম খোলা হলেও সবাই মাস্ক পড়ে শরীর চর্চা তা করতে হবে। শুধু তাই নয়, অবশ্যই ভ্যাকসিন নিতে হবে বলেও জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোশ্যাল ডিসটেন্স মানতে হবে অফিসে
দীর্ঘদিন ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়েই চলছিল সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থা। কিন্তু সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই অবস্থায় অফিসে কর্মীদের সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ৫০ শতাংশ কর্মীকে অফিসে নিয়ে আসা যাবে বলে এদিন ছাড় দিয়েছেন তিনি। তবে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যে, সবাই একসঙ্গে না বসে। সমস্ত অফিসে সোশ্যাল ডিসটেস্ট বজায় রাখতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, সরকারি দফতর খোলা রাখা যাবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত।

পার্ক বন্ধ থাকছে
আপাতত এখনও কোনও পার্ক খুলছে না। সমস্ত পার্ক বন্ধই থাকছে। এছাড়াও শপিং মলগুলি যেমন ভাবে খুলছে তেমনই চলবে। সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে তা বন্ধ করতে হবে।

৯টা থেকে কড়া প্রশাসন
রাত ৯টা থেকে যে সমস্ত কড়া নির্দেশিকা জারি ছিল রাজ্যে। তা বহাল রাখার ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাইট কারফু না হলেও যানবাহন চলাচল কিংবা একাধিক যে সমস্ত বিধি নিষেধ লাঘু করা ছিল তা আপাতত বহাল থাকছে। এরপর পরিস্থিতি অনুযায়ী অন্যান্য সিদ্ধান্ত আরও নেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications