২০২২ সালের মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশ, নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানাল কৃতীরা
২০২২ সালের মাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশ, নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানাল কৃতিরা
২০২২ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা হল শুক্রবার ৩ জুন। চলতি বছরের মাধ্যমিক ১৬ মার্চ পরীক্ষা শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যেই ফল ঘোষণা করবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। এই বছরেও ফলাফলে জেলার জয় জয়কার। পাশের হার সর্বাধিক পূর্ব মেদিনীপুরে। রেজাল্ট জেনেই প্রতিক্রিয়া জানাল রাজ্যে সেরা কৃতি ছাত্র ছাত্রীরা।

বাঁকুড়ার রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন হাই স্কুলের অর্ণব ঘড়াই প্রথম ৬৯৩, খুব ভালো লাগছে। বাড়িতে সকলেই খুব খুশি। পরীক্ষা দিয়ে ভালো লেগেছিল, কিন্তু ভাবতে পারিনি এতটা ভালো হবে। বেশিক্ষণ পড়াশোনা না করলেও যেটুকু পরতাম ভালো করে পড়তাম। ৪জন প্রাইভেট টিউটর ছিল। এবার নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে ভর্তি হয়েছি। প্রথমবার হস্টেলে থাকছি বেশ ভালো লাগছে নতুন বন্ধু পেয়ে ভালো লাগছে। ইংরাজি গল্পের বই পড়তে বেশ ভালোলাগে। মিশনের মহারাজ ও শিক্ষকরা খুব সাহায্য করেছেন পড়ার ক্ষেত্রে। এক থেকে ১০-এর মধ্যে থাকব ভেবেছিলাম কিন্তু প্রথম হব ভাবিনি। ভবিষ্যতে ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।
৬৯৩ নম্বর পেয়ে এই বছর মাধ্যমিকে রাজ্যে প্রথম হয়েছে বর্ধমান সিএমএস স্কুলের রৌনক মণ্ডল। এই অসামান্য সাফল্য সম্পর্কে সে জানিয়েছে, "খুব ভালোলাগছে এই ফল হবে ভাবতেই পারিনি। পরীক্ষা ভালো হয়েছিল। ভেবেছিলাম প্রথম দশে থাকব। কিন্তু এইরকম ফল হবে সত্যি ভাবিনি।" রৌনক মণ্ডলের অন্যতম প্রিয় গান 'আমার মাথা নত করে দাও হে'। প্রিয় গল্প ফেলুদা, প্রাইভেট টিউটর ৭জন রাত ১১.৩০ পর্যন্ত, ভলিবল খেলতে ভালো লাগে। সত্যজিৎ রায়ের সিনেমা প্রিয়। কল্পবিজ্ঞানের গল্প ভালোলাগে। প্রিয় খেলোয়াড় ধোনি। ডাক্তার হতে চায় রৌনক।
রাজ্যে সার্বিক দ্বিতীয় স্থানে এবং মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে মালদা থেকে কৌশিকী সরকার, প্রাপ্ত নম্বর ৬৯২। মিষ্টি খাইয়ে মেয়ের এই অসামান্য সাফল্য উদযাপন করলেন পরিবারের সকলে। পড়াশোনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে কৌশিকী বলে, "ভালো পরীক্ষা হয়েছিল। ভালো ফল হবে এটা নিশ্চিত ছিলাম, কিন্তু এরকম অসামান্য রেজাল্ট হবে তা একেবারেই আশা করিনি।"
অপরদিকে ৬৯০ পেয়ে রাজ্যে চতুর্থ স্থান লাভ করেছে মোট চারজন। এরইমধ্যে কলকাতা পাঠভবন থেকে চতুর্থ শ্রুতর্ষি ত্রিপাঠি রয়েছে। সে জানিয়েছে, "এটা অসাধারণ অনুভূতি। এতটা ভালো ফল হবে আশা করিনি। আগামী দিনে আরও বেশিকরে পড়াশোনা করতে হবে।"
৬৮৯ নম্বর পেয়ে এই বছর মাধ্যমিকে রাজ্যে পঞ্চম স্থান অধিকার করেছে শুভ্র দত্ত। রেজল্ট প্রসঙ্গে সে জানিয়েছে "নম্বরটা এক্সপেক্টেড ছিল। কোনও দিন শিক্ষক বা পরিবার কারও চাপ ছিল না। ভালো লাগত তাই পড়তাম। যখন মন চাইত যখন তখন পড়তাম। যখন ইচ্ছা করত না তখন সারা দিন অন্যান্য কাজ করতাম। গল্পের বই পড়া বা ফোনে কিছু দেখা। পড়ার নির্দিষ্ট কোনও সময় ছিলো না। তবে পড়েছি অনেক।"












Click it and Unblock the Notifications