একা আসুন শোভন চট্টোপাধ্যায়, সঙ্গিনীকে নিয়ে আসলেই বিপদ! ভোটের আগে হুঁশিয়ারি রত্নার
লোকসভা ভোট প্রায় শেষের মুখে। অথচ দোর্দন্ডপ্রতাপ শোভন চট্টোপাধ্যায় এখন ভোট-রাজনীতি থেকে অনেক দূরে। লড়াইয়ে নেই, নেই প্রচারেও, তবু তিনি আছেন।
লোকসভা ভোট প্রায় শেষের মুখে। অথচ দোর্দন্ডপ্রতাপ শোভন চট্টোপাধ্যায় এখন ভোট-রাজনীতি থেকে অনেক দূরে। লড়াইয়ে নেই, নেই প্রচারেও, তবু তিনি আছেন। প্রচারের মুখ তিনি নন, তবু ভোটের একেবারে শেষ লগ্নে নিজেকে তিনি সংবাদ শিরোনামে নিয়ে এলেন। নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করলেন ভোট দিতে গিয়ে হেনস্থার মুখে পড়তে পারেন।

তিনি কলকাতার প্রাক্তন মেয়র, কয়েকদিন আগেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের মন্ত্রী, জেলার প্রাক্তন সভাপতিও। সেই শোভন চট্টোপাধ্যায় কি না চিঠি দিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন হেনস্থার। আবার এই হেনস্থার নেপথ্যে যে তাঁর স্ত্রী থাকবেন, তাও জানিয়েছেন শোভনবাবু। সেই কারণেই তিনি অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য ভোটগ্রহণ কেন্দ্র পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখার আবেদন জানিয়েছেন।
আর শোভনবাবুর এই ইচ্ছা জানার পর রত্নাদেবীর ছোট্ট প্রতিক্রিয়া, 'শোভনবাবু ভাল পলিটিসিয়ান। তিনি ভাল জানেন কীভাবে খবর জানাতে হবে।' তিনি বলেন, দল আমাকে দায়িত্ব দিয়েছে। তাই ভোটের দিন আমি ব্যস্ত থাকব। শোভনবাবুকে নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই আমার। তিনি ভোট দিতে আসবেন, প্রয়োজন মনে করতে বাড়িতে আসবেন। তাঁর জন্য বাড়ির দরজা সবসময় খোলা।
উল্লেখ্য, শোভন-রত্নার বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে। বেহালার মহারানি ইন্দিরা দেবী রোডে তাঁর বাড়ি তিনি ছেড়েছেন সেই থেকেই। এবার তাঁকে ভোট দিতে আসতে হবে বাড়ির পাশেই বুথে। সেখানে তাঁর স্ত্রী থাকবেন বলেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি এমনও অভিযোগ করেছেন স্ত্রী ও তাঁর সঙ্গী তাঁকে হেনস্থা করতে পারেন। উল্টে রত্না জানান, তিনি আসুন, তাঁর বাড়ির দখল নিন, আমার কিছু এসে যায় না। তবে সঙ্গিনীকে নিয়ে এলে তিনি ছেড়ে দেবেন না। তখন অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটলে তার দায় তিনি নেবেন না।












Click it and Unblock the Notifications