ঝাড়খণ্ড-কর্নাটকের-কেরলের পথে এবার বাংলাও! একধাক্কায় অনেকটাই কমল করোনা ভাইরাসের RTPCR টেস্টের খরচ
বাংলায় একধাক্কায় অনেকটাই কমল করোনার (coronavirus) আরটিপিসিআর (rtpcr) টেস্টের (test) খরচ। এদিন এব্যাপারে ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্লিনিক্যাল এসট্যাবলিশমেন্ট রেগুলারিটি কমিশনের (West Bengal Clinical Establishment Regularity Com
বাংলায় একধাক্কায় অনেকটাই কমল করোনার (coronavirus) আরটিপিসিআর (rtpcr) টেস্টের (test) খরচ। এদিন এব্যাপারে ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্লিনিক্যাল এসট্যাবলিশমেন্ট রেগুলারিটি কমিশনের (West Bengal Clinical Establishment Regularity Commission)তরফে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।

২০২০-র ডিসেম্বর থেকে খরচ ছিল ৯৫০ টাকা
শুরুর দিকে আরটিপিসিআর টেস্টের খরচ অনেকটাই বেশি ছিল। তবে ২০২০-র ৩ ডিসেম্বর থেকে এই খরচ কমিয়ে ৯৫০ টাকা করা হয়েছিল। বেসরকারি ল্যাবগুলির জন্যই এই খরচ বেঁধে দেওয়া হয়েছিল সেই সময় রাজ্য স্বাস্থ্য সচিব এব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিলেন।

এবার থেকে খরচ পড়বে ৫০০ টাকা
এদিন ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্লিনিক্যাল এসট্যাবলিশমেন্ট রেগুলারিটি কমিশনের তরফে বলা হয়েছে খোলা বাজারে আরটিপিসিআর কিট এবং পরীক্ষায় ব্যবহারের রাসায়নিকের দাম অনেকটাই কমেছে। দাম কমেছে আরএনএ আলাদা করার কিট ভিটিএম-এর মূল্যও। সেই কারণে সাধারণের সুবিধার্থে বিষয়টি প্রয়োজনীয় বলেই মনে করছে কমিশন। সেই কারণে এদিন থেকে বেসরকারি ক্ষেত্রে আরটিপিসিআর টেস্টের খরচ ৯৫০ থেকে থেকে কমিয়ে ৫০০ টাকা করার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

আগেই বিভিন্ন রাজ্যে কমেছে পরীক্ষার খরচ
তবে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, এর আগে বিভিন্ন রাজ্যে আরটিপিসিআর টেস্টের খরচ কমানো হয়েছে। গত সপ্তাহে ২১ জানুয়ারি প্রতিবেশী ঝাড়খণ্ডে আরটিপিসিআর টেস্টের খরচ ৪০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৩০০ টাকা করা হয়েছে। তবে বাড়িতে গিয়ে স্যাম্পেল সংগ্রহের ক্ষেত্রে ১০০ টাকা করে বেশি নেওয়া যাবে। একইসঙ্গে র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের খরচও কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আগে যেখানে এর জন্য খরচ পড়ত ১৫০ টাকা। এখন তার খরচ পড়বে ৫০ টাকা করে।
গত অক্টোবরে কর্নাটকে আরটিপিসিআর টেস্টের খরত ৮০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৫০০ টাকা করা হয়। এই মুহূর্তে রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, কেরলে আরটিপিসিআর টেস্টের খরচ ৫০০ টাকা। অন্যদিকে অন্ধ্রপ্রদেশে এই খরচ ৪৭৫ টাকা।
করোনা আক্রান্ত কিনা তা পরীক্ষা করতে আরটিপিসিআর টেস্টই সাধারণভাবে মান্যতা দেওয়া হয়। এছাড়াও যেসব পরীক্ষায় কোনও ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত কিনা ধরা পড়ে, সেগুলি হল ট্রুনাট (১২৫০ টাকা), সিবিনাট (১৬০০ টাকা), র্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্টের মাধ্যমে।

অনেক ক্ষেত্রেই বেশি টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ
অনেকেই বাড়ি থেকে স্যাম্পেল কালেকশনে মত দিয়ে থাকেন। তবে সেইসব ক্ষেত্রে যে যেমন পারছেন, দাম নিচ্ছেন বলে অভিযোগ। কেননা ঝাড়খণ্ড সরকারের মতো পশ্চিমবঙ্গ সরকার কিংবা ওয়েস্ট বেঙ্গল ক্লিনিক্যাল এসট্যাবলিশমেন্ট রেগুলারিটি কমিশন স্যাম্পেল সংগ্রহের জন্য কোনও বাড়তি মূল্য ঠিক করে দেয়নি। এছাড়াও কোনও কোনও বেসরকারি ল্যাবে বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ অনেকেরই।












Click it and Unblock the Notifications