মনোনয়ন তুললেন মমতার প্রিয় 'রতন'! অভিষেকের বৈঠকের পরেই বড় সিদ্ধান্ত 'বিদ্রোহী' তৃণমূল নেতার

মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিলেন রতন মালাকার। খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওয়ার্ডে নির্দল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। যা উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছিল তৃণমূলের কাছে। কারণ ওই ওয়ার্ড থেকে এবার প্রার্থী করা হয়েছে নেত্রীর ঘরের মেয়ে

মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিলেন রতন মালাকার। খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওয়ার্ডে নির্দল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। যা উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছিল তৃণমূলের কাছে। কারণ ওই ওয়ার্ড থেকে এবার প্রার্থী করা হয়েছে নেত্রীর ঘরের মেয়ে কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

কিন্তু প্রায় ২০ বছর ওই ওয়ার্ডে কাউন্সিলার থেকেও এবার রতনকে টিকিট দেয়নি দল। আর এরপরেই বিদ্রোহ শুরু করেন এই তৃণমূল নেতা। শুধু রতন মালাকার নয়, আরও বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে তৃণমূলের কাটা হতে পারে আরও বেশ কয়েকজন তৃণমূলের বিদ্রোহীরা। যদিও দলের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, শনিবারের মধ্যে প্রার্থী পদ প্রত্যহার না করলে তৃণমূলের তরফে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফলে দেখা জাক কোনদিকে গড়াতে পারে পরিস্থিতি।

ঘর সামলাতে বসে পড়লেন অভিষেক

ঘর সামলাতে বসে পড়লেন অভিষেক

মুম্বই থেকে সদ্য ফিরেছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখান থেকে ফিরেই ঘর সামলাতে বসে পড়লেন তিনি। জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় রতন মালাকারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন অভিষেক। দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হয় তাঁদের মধ্যে। আর এরপরেই মনোনয়ন তুলে নেওয়ার ইঙ্গিত দেন এই বিদ্রোহী তৃণমূল নেতা। বলেন, অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

কার্যত সেটাই সত্যি হল।

কার্যত সেটাই সত্যি হল।

আর সেই সময়ে বোঝা যায় যে কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাটা সরিয়ে ফেলেছে দল! কার্যত সেটাই সত্যি হল। শুক্রবারেই মনোনয়ন তুলে নিলেন ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলার। আগামীকাল শনিবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। সেদিকে না তাকিয়ে আজ শুক্রবারই তাঁর মনোনয়ন তুলে নিলেন রতন মালাকার। নাম প্রত্যাহারের পরে রতনবাবু জানান, দলের সৈনিক ছিলাম। এখনও আছি। দল‌ যে দায়িত্ব দেবে, তা পালন করবো। শুধু তাই নয়, সুব্রত বক্সী, মদন মিত্র-সহ দলের নেতারা তাঁকে বুঝিয়েছে বলেও জানিয়েছেন রতনবাবু।

উদ্বেগ বাড়াচ্ছে আরও এক ওয়ার্ড

উদ্বেগ বাড়াচ্ছে আরও এক ওয়ার্ড

তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই বিদ্রোহ শুরু হয় দলের মধ্যে। প্রার্থী তালিকা থেকে নাম বাদ পড়তেই বেশ কয়েকজন সুর চড়াতে থাকেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিল রতন মালাকার। কয়েকজনকে বোঝানো গেলেও উদ্বেগ বাড়ছে ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডকে নিয়েও। এটিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরের একটি জায়গা। সেখানে নির্দল হয়ে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূল নেতা সচ্চিদানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তাঁকে ওই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেনি তৃণমূল। আর নাম নেই দেখেই নির্দল হয়ে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত।

৬৮ নম্বর ওয়ার্ডেও চাপ তৃণমূলের

৬৮ নম্বর ওয়ার্ডেও চাপ তৃণমূলের

এই ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী করা হয় প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের বোনকে। কিন্তু হঠাত বিদায়ী কাউন্সিলারের বিদ্রোহের কারনে তাঁকে প্রার্থী করেও নাম তুলে নেওয়া হয়। আর এরপরেই ৬৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে নির্দল হয়ে প্রার্থী হয়েছেন তনিমা চট্টপাধ্যায়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+