Rajbhavan: ঠিক কী ঘটেছিল সেদিন রাজভবনে? CCTV ফুটেজ প্রকাশ করে 'সচকে সামনে' ক্যাম্পেন রাজ্যপালের
এবার 'সচ কে সামনে' ক্যাম্পেন শুরু করল রাজভবন। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিসিটিভির ফুটেজ প্রকাশ করেছ রাজভবন। তাতে দেখা গিয়েছে অভিযোগকারী মহিলা পুলিশের ঘেরাটপের মধ্য দিয়েই হেঁটে যাচ্ছেন।
বিকেল ৫টা ৩২ থেকে ৫টা ৪২ মিনিট পর্যন্ত সেই ফুটেজে দেখা গিয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে অভিযোগকারী মহিলা পুলিসের নিরাপত্তার মধ্যদিয়েই হেঁটে রাজভবনের অ্যাডিশনাল এসির ঘরে ঢোকেন। সেখানেই িতনি রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছিলেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত ২ মে রাজভবনের এম মহিলা কর্মী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস তাঁর শ্লীলতাহানি করেছেন। এবং একবার নয় একাধিকবার করেছেন। রাজভবনে দায়িত্বে থাকা পুলিশ অফিসারের কাছে গিয়ে তিনি প্রথমে অভিযোগ করেন। তারপরে লালবাজার থেকে মহিলা পুলিশ নিয়ে যায় হেয়ারস্ট্রিট থানার পুলিশ। সেখানে অভিযোগকারী মহিলা তাঁর বয়ান দেন।
২০২১ সাল থেকে রাজভবনের পিস রুমে কাজ করেছেন তিনি। এর আগে রাজ্যপাল তাঁকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে গায়ে হাত দিয়েছেন এবং এই ঘটনা সেদিনও ঘটিয়েছিলেন তিনি। মহিলা কর্মীকে নিজের কেবিনে ডেকে এনে শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। ঘটনাচক্রে সেদিনই রাজভবনে রাত্রি বাস করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তারপরের দিনই রাজ্যপাল সেখান থেকে চলে যান।
রাজ্যপাল পদে থাকার জন্য সাংবিদধানিক কবচ রয়েছে তাঁর কাছে। সংবিধানের ৩৬১ নম্বর আইনে রাজ্যপাল এবং রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে কোনও মামলা বা এফআইআর দােয়র করা যায় না। এমনকী তাঁর বিরুদ্ধে কোনও তদন্তও কোনও রাজ্যের পুলিশ করতে পারবে না। এই নিয়ে সরব হয় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যপাল বাংলার মহিলাদের সম্মানহানি করছেন বলে অভিযোগ করেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তারপরেই তাঁকে রাজভবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
রাজ্যপাল পদে থাকার জন্য সাংবিদধানিক কবচ রয়েছে তাঁর কাছে। সংবিধানের ৩৬১ নম্বর আইনে রাজ্যপাল এবং রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে কোনও মামলা বা এফআইআর দােয়র করা যায় না। এমনকী তাঁর বিরুদ্ধে কোনও তদন্তও কোনও রাজ্যের পুলিশ করতে পারবে না। এই নিয়ে সরব হয় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যপাল বাংলার মহিলাদের সম্মানহানি করছেন বলে অভিযোগ করেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তারপরেই তাঁকে রাজভবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
তারপরে রাজভবনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ চায় পুলিশ। এই নিয়ে নতুন করে উত্তেজনার পারদ চড়ে। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস রাজভবনে নির্দেশিকা জারি করেন কোনও রকম ফুটেজ তাঁরা যেন পুলিশকে না দেয়। এবং রাজভবনের কোনও কর্মী এবং অফিসার যেন পুলিশের সঙ্গে কথা না বলেন। সাংবিধানিক রক্ষা কবচ থাকার পরেও কীভাবে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ চাইতে পারে এই নিয়ে সরব হয়েছিলেন রাজ্যপাল।
এদিকে সিভি আনন্দ বোস দাবি করেছেন তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে। তাঁকে কালিমালিপ্ত করে নির্বাচনে ফায়দা তোলার চেষ্টা হচ্ছে। তবে সত্যের জয় হবে বলে দাবি করেছিলেন তিনি। এবং আরও একজনকে রাজভবনে পাঠানো হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করার জন্য এমনও অভিযোগ করেছেন রাজ্যপাল। অর্থাৎ অনেকটা ইঙ্গিতে তিনি বুঝিয়ে দিেত চেয়েছেন তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগের নেপথ্যে কারা রযেছেন।












Click it and Unblock the Notifications