চলছে কাগুজে টানাটানি! শপথ গ্রহণের অপেক্ষায় বাংলার দুই বিধায়ক
নির্বাচনের ফল বেরিয়ে গিয়েছে চার জুন। তারপর থেকে প্রায় তিন সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। এখনও শপথ নিতে পারেননি তৃণমূল কংগ্রেসের নবনির্বাচিত দুই বিধায়ক। তাঁদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়ে বিভ্রান্তি অব্যাহত। তবে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সচিবের কার্যালয় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য দ্রুত অনুমোদনের অনুরোধ জানিয়ে রাজভবন নতুন করে চিঠি পাঠিয়েছে। এর পাল্টা চিঠি দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।
প্রসঙ্গত, বিধানসভা সচিবের কার্যালয় থেকে রাজভবনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের কাছে এনিয়ে দ্বিতীয় চিঠি পাঠানো হল। গত পনেরো দিনে এনিয়ে দ্বিতীয় চিঠি পাঠিয়েছে বিধানসভার সচিবের কার্যালয়।

বিধানসভা উপনির্বাচনে ভগবানগোলা এবং বরানগর থেকে জয়ী হয়েছেন যথাক্রমে রিয়াত হুসেন সরকার এবং সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফল বেরনোর পরে আঠারো দিন কেটে গেলেও এখনও তাঁরা শপথ নিতে পারেননি।
তবে রাজভবন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে তাঁরা যে দুটি চিঠি পেয়েছেন, তার একটি পদ্ধতিগত ত্রুটি রয়েছে। প্রোটোকল অনুযায়ী, নবনির্বাচিত বিধায়কদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের বিষয়ক চিঠিগুলি মন্ত্রীর অফিস থেকে আসা উচিত ছিল, পরিষদীয় বিষয়ক দফতর কিংবা বিধানসভার সচিবালয় থেকে নয়, বলেছেন সেই সূত্র।
রাজভবন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রথম চিঠিটি পাওয়ার পরে রাজ্যপালের কার্যালয় থেকে বিধানসভায় পাল্টা চিঠি দিয়ে কিছু তথ্য জানতে চাওয়া হয়। সেখানে বর্তমান হাউজের প্রকৃতি, যেমন প্রবীণতম বিধায়কদের সংখ্যা, তফশিলি জাতি ও উপজাতি বিধায়কদের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়েছিল।
তবে এই প্রশ্নগুলির উত্তরের পরিবর্তে বিধানসভার সচিবের কার্যালয় থেকে দ্রুত শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের অনুমোদনের অনুরোধ জানিয়ে ফের চিঠি দেওয়া হয়।
তবে বিধায়কদের শপথগ্রণের অনুষ্ঠান নিয়ে টানাপোড়েন নতুন কোনও ঘটনা নয়। এর আগে ধূপগুড়ির তৃণমূল বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায়ের শপথ গ্রহণকে ঘিরেও রাজভবন-নবান্নের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications