পুলিশ খুনি ধরতে পারে না, মৃতদেহ ধরছে! সন্দেশখালিতে চিতা-কাণ্ডে তোপ রাহুলের
বিজেপির দুই কর্মীর দেহ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে রীতিমতো লুকোচুরি খেলার পরও কলকাতায় নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয়ে রাহুল সিনহা তোপ দাগলেন রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে।
বিজেপির দুই কর্মীর দেহ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে রীতিমতো লুকোচুরি খেলার পরও কলকাতায় নিয়ে যেতে ব্যর্থ হয়ে রাহুল সিনহা তোপ দাগলেন রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, পুলিশ খুনি ধরতে পারল না মৃতদেহ ধরছে। আমাদের নেতার দেহের শেষকৃত্যে যাতে কোনও অমার্যাদা না হয়, তার জন্যই দেহ কলকাতায় নিয়ে যাওয়া থেকে আমরা বিরত থাকলাম।

উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষের পর এখন শবদেহ নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে ওঠে রবিবার। কলকাতায় দেহ নিয়ে যেতে বাধা দেওয়ার অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা। বিজেপি পরিকল্পনা করেছিল দেহ কলকাতায় নিয়ে আসার জন্য। কিন্তু পুলিশ দেহ কলকাতায় নিয়ে যেতে বাধা দেয়।
Rahul Sinha, BJP: Party has called a 12-hour 'bandh' in Basirhat and in entire West Bengal tomorrow, we will observe black day. BJP will move court over Police role. Remains of the deceased are being taken to their native places for funeral. #WestBengal pic.twitter.com/1Qe9LRgwfv
— ANI (@ANI) June 9, 2019
দুই নিহত কর্মীর দেহ কলকাতায় নিয়ে আসার জন্য পরিকল্পনা ছকেই রাস্তায় নেমেছিল বিজেপি। দিলীপ ঘোষ ও রাহুল সিনহার নেতৃত্বে কনভয় মালঞ্চে পৌঁছনোর পর কনভয়ে যোগ দেয় শববাহী কার। এরপর বিজেপিকে আটকে দেয় পুলিশ। অন্যদিক থেকে লকেট চট্টোপাধ্যায়ের কনভয় এসে যোগ দেয়। লকেটের গাড়ি আটকালে তাঁর সঙ্গে বচসা বাধে পুলিশের। সেই সুযোগে শববাহী গাড়ি নিয়ে কলকাতার দিকে রওনা দেন দিলীপবাবু। তারপর মিনাখাঁর বাসন্তী মোড় পুলিশ গাড়ি আটকায়।
West Bengal: Protest erupts as security forces stop BJP leaders from taking bodies of workers to party office
— ANI Digital (@ani_digital) June 9, 2019
Read @ANI story | https://t.co/bXO61YAuOQ pic.twitter.com/CumNEKtnXX
পুলিশের যুক্তি, কলকাতায় দেহ নিয়ে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। সেই কারণেই দেহ নিয়ে যেতে বাধা দেওয়া হয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের। এরপর পুলিশ রাস্তা আটকালে দেড় ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ চলে। কলকাতায় যেতে না দিলে রাস্তায় চিতা সাজিয়ে অন্ত্যেষ্টি করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। শুধু হুঁশিয়ারি দিয়েই ক্ষান্ত হননি বিজেপিকর্মীরা। রাস্তায় চিতা সাজিয়ে অন্ত্যেষ্টির প্রক্রিয়াও শুরু করে দেয় বিজেপি। পুলিশও তৈরি ছিল তাদের আটকাতে। এই অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে বিজেপি পিছু হটে। প্রতিবাদে পাল্টা কর্মসূচি ঘোষণা করেন রাহুল সিনহা।












Click it and Unblock the Notifications