সম্প্রীতির বার্তা দেয় রায়গঞ্জের মেহেন্দি গ্রামের দুর্গাপুজো
হিন্দু-মুসলিম সমন্বয়ে তিনশো বছরের পড়ল রায়গঞ্জের মেহেন্দি গ্রামের দুর্গাপুজো। হিন্দু—মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ হাতে হাত মিলিয়ে এই পুজোর আয়োজন করে থাকে।
হিন্দু-মুসলিম সমন্বয়ে তিনশো বছরের পড়ল রায়গঞ্জের মেহেন্দি গ্রামের দুর্গাপুজো। হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ হাতে হাত মিলিয়ে এই পুজোর আয়োজন করে থাকে। দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসে এই মেহেন্দি গ্রােমর পুজো দেখতে। এই পুজো ঘিরে রয়েছে একটি গল্পও।

রায়গঞ্জ শহর থেকে দশ কিলোমিটার দূরে মেহেন্দি গ্রামের পুজোর প্রচলন প্রায় তিনশো বছর আগে। কথিত আছে অবিভক্ত বাংলাদেশের হরিপুরের জমিদার দুর্লভ রায় চৌধুরী এই পুজো শুরু করেছিলেন। এখানকার বাসিন্দারা পুজোর সময় আসলেই পায়ে হেটে হরিপুরে জমিদারের বাড়ি গিয়ে পুজোর সামগ্রী বাঁকে করে বয়ে নিয়ে আসত এই মেহেন্দি গ্রামে। দেশভাগের পর মেহেন্দি গ্রামের বাসিন্দারা মিলিতভাবে সর্বজনীন এই দুর্গোৎসবের সূচনা করেন। হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই এই পুজোয় অংশ নেন।
শুধু চাঁদা তোলাই নয়, পাঁচটা দিন পুজোর সাথে যুক্ত থাকে গ্রামের মুসলিমরা। এই দূর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে এলাকার মুসলিম বাসিন্দাদের বাড়িতে দূর-দূরান্ত থেকে আত্মীয় পরিজনেরাও আসেন। দশমীর দিন যেন সম্প্রীতির মেলবন্ধন হয়ে ওঠে। মেহেন্দিগ্রাম বিসর্জনের একটি বিশেষত্ব রয়েছে। সেই পুরোনো আমল থেকেই মা দূর্গা ভাসানো হয় নির্দিষ্ট সময়ে 'বালিহাস' পুকুরে। অন্য কোনও পুকুর বা নদীতে এই প্রতিমা ভাসানো গ্রামের অমঙ্গলের সংকেত বলে বিশ্বাস করেন বাসিন্দারা।












Click it and Unblock the Notifications