রাতারাতি গুন্ডা লাগিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল স্কুল, প্রোমোটারি থাবায় অনিশ্চিত পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ
এবার স্কুলেও প্রোমোটার থাবা। গুন্ডা লাগিয়ে রাতারাতি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল আস্ত একটা স্কুল। বাধা দিয়ে প্রোমোটারের পাঠানো গুন্ডাদের হাতে প্রহৃত হন প্রধান শিক্ষক।
কলকাতা, ১৮ ফেব্রুয়ারি : এবার স্কুলেও প্রোমোটার থাবা। গুন্ডা লাগিয়ে রাতারাতি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল আস্ত একটা স্কুল। শনিবার সকালে বাগুইআটির বেসরকারি স্কুলে এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাধা দিয়ে প্রোমোটারের পাঠানো গুন্ডাদের হাতে প্রহৃত হন প্রধান শিক্ষক। প্রতিবাদে পথ অবরোধ শুরু করে পড়ুয়া ও অভিভাবকরা।
প্রায় ২০ বছরের পুরনো স্কুল। রাতারাতি সেই স্কুল গুন্ডা লাগিয়ে ভেঙে দেওয়া হল। প্রোমোটারি রাজ চালানোর অভিযোগে সরব এলাকাবাসী। অভিযোগ, ওই স্কুল ভেঙে মাল্টিস্টোরেজ বিল্ডিং করার চক্রান্ত চালাচ্ছেন প্রোমোটার। সেই লক্ষ্যেই বিনা নোটিশে স্কুলটি ভেঙে দেওয়া হয় রাতের অন্ধকারে। অভিযোগ, মালিকের কাছ থেকে ওই জমি কিনে নিয়েছিলেন প্রোমোটার মিজানুর রহমান। তারপরই রাতারাতি ভেঙে দেওয়া হয়। রাতেই স্কুলে এসে প্রোমোটারের কাজে বাধা দেন প্রধান শিক্ষক। তাঁকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়। বাগুইআটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রধান শিক্ষক।

প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই কথা চলছিল প্রোমোটারের। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ কিছুতেই রাজি হচ্ছিলেন না। তাই শেষপর্যন্ত কোনও নোটিশ না দিয়েই রাতারাতি গুন্ডা লাগিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। এদিন পরীক্ষা ছিল ছাত্রছাত্রীদের। পরীক্ষা দিতে এসে পড়ুয়ারা দেখে, তাদের স্কুল নেই। স্কুল ভেঙে ধুলিসাৎ হয়ে গিয়েছে। ছাদ গুঁড়িয়ে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। কান্নায় ভেঙে পড়েন পড়ুয়ারা।
এই ঘটনার পরই অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এলাকায় প্রবল উত্তেজনা। প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ শুরু করে পড়ুয়া ও অভিভাবকরা। পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এই অমানবিক কাণ্ড কারখানায়। পড়ুয়ারা কেউ টেস্ট পরীক্ষা দিতে পারল না।












Click it and Unblock the Notifications