চিতার আগুনে বিলীন হলেন প্রিয়রঞ্জন, ‘কুলীকে’র তীরে স্লোগান- ‘প্রিয়দা অমর রহে’
প্রয়াত প্রিয়রঞ্জনের শেষকৃত্য দেখতে এদিন বাঁধ ভেঙে পড়েছিল মানুষের। রায়গঞ্জের আকাশ-বাতাস, অগণিত জনতা আর কুলীক নদীকে সাক্ষী রেখে প্রিয় চললেন অনন্ত লোকে।
দীপ নিভে গেল প্রিয়রঞ্জনের। শেষ হল এক বর্ণময় রাজনৈতিক জীবনের। আদি থেকে অন্ত প্রিয়রঞ্জনের জীবনের সাক্ষী থেকে গেল রায়গঞ্জ। যে নদীর তীরে বসে কবিতা লিখতেন প্রিয়, সেই কুলীক নদীর তীরেই অন্তিম শয্যায় শায়িত হলেন তিনি। খানিক বাদেই চিতার আগুনে বিলীন হয়ে গেলেন সকলের প্রিয় নেতা। প্রয়াত প্রিয়রঞ্জনের শেষকৃত্য দেখতে এদিন বাঁধ ভেঙে পড়েছিল মানুষের। রায়গঞ্জের আকাশ-বাতাস, অগণিত জনতা আর কুলীক নদীকে সাক্ষী রেখে প্রিয় চললেন অনন্ত লোকে।

মঙ্গলবার বিকেলে রায়গঞ্জ পুলিশ ট্রেনিং ময়দানের হেলিপ্যাডে প্রিয়রঞ্জনের দেহ নামে। সঙ্গে ছিল তাঁর প্রিয় সাথী মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান, ছিলেন প্রিয়-ঘরণী দীপা ও পুত্র মিছিল। ঘড়ির কাঁটায় ঠিক সাড়ে চারটে, তাঁকে গান স্যালুট দেওয়া হয়।
সেখান থেকে হুডখোলা জিপে তাঁর দেহ নিয়ে যাওয়া হয় কালিয়াগঞ্জের বাড়িতে। আগেও প্রিয় শহরে ফিরলে প্রিয়রঞ্জনকে নিয়ে এমন উন্মাদনা লক্ষ্য করা যেত। এবারটা কিন্তু খানিক ব্যাতিক্রম। রাস্তা দিয়ে যত প্রিয়রঞ্জনের শকট এগিয়েছে, ততই মানুষ ফুল ছুড়েছে আর স্লোগান তুলেছে 'প্রিয়রঞ্জন অমর রহে'।
এর আগেও প্রিয়রঞ্জনকে নিয়ে রায়গঞ্জের মানুষ স্লোগান তুলেছে। তখন শোনা যেত 'প্রিয়-দা জিন্দাবাদ'। এবার তাঁরা বলছেন 'প্রিয়া-দা অমর রহে'। ছোট্ট একটি ফারাকই বলে দিচ্ছে, আজ তাঁর শহরে শেষ পা দেওয়া। আর তাঁকে দেখা যাবে না। তাই কাতারে কাতারে মানুষ ভিড় করেছেন প্রিয় মানুষটাকে শেষবারের মতো চোখের দেখা দেখতে, তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে।
মানুষের চোখের জল বাঁধ মানছিল না কিছুতেই। সবাই হুড়মুড়িয়ে পড়ছিলেন প্রিয় নেতাকে একটিবার দেখার জন্য। রাস্তা তাতেই অবরুদ্ধ। এতটুকু এগনোর জায়গা নেই। শেষপর্যন্ত দীপার অনুরোধে তাঁরাই পথ করে দেন প্রিয়রঞ্জনের শকট শেষযাত্রায় এগিয়ে যাওয়ার।
শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকেই প্রিয়রঞ্জনের কালিয়াগঞ্জের বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ মৌসম বেনজির নুর, এসেছিলেন কেন্দ্রীয় কংগ্রেস নেতা সিপি যোশী। ছিলেন স্থানীয় সমস্ত নেতৃত্ব। কালিয়াগঞ্জের বাড়িতে আনার আগে তাঁকে নিয়ে যাওয়া দলীয় কার্যালয়ে। নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর ক্লাবে, তারপর বাড়ি হয়ে শ্মশানঘাটে।
এদিন সকাল থেকেই বনধের চেহারা নিয়েছিল রায়গঞ্জ। সমস্ত দোকানপাট বন্ধ। রাস্তায় গাড়ি-ঘোড়া নেই। সবাই এদিন আটকে গিয়েছিলেন প্রিয়র শেষ যাত্রায়। গোটা রায়গঞ্জ আজ কালিয়াগঞ্জমুখী। কুলীক নদীর তীরে তাঁর চিতা সাজানো ১২ কুইন্টাল চন্দনকাঠে। গোটা শ্মশানের রাশ পুলিশের হাতে। খানিক বাদেই এল প্রিয়রঞ্জনের দেহ। চিতার আগুনে বিলীন হয়ে গেলেন প্রিয়রঞ্জন।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস












Click it and Unblock the Notifications