প্রাথমিকেও টেট-পাস না করে মিলেছে চাকরি! বেআইনি শিক্ষক-নিয়োগে মামলা হাইকোর্টে
প্রাথমিকেও টেট-পাস না করে মিলেছে চাকরি! বেআইনি শিক্ষক-নিয়োগে মামলা হাইকোর্টে
এসএসসির মেধা তালিকায় পিছিয়ে থেকেও চাকরি হয়েছে রাজ্যে। ইতিমধ্যে মন্ত্রী-কন্যা অঙ্কিতা অধিকারী-সহ দুজনের চাকরি বাতিলও হয়েছে। এবার প্রাইমারি টেটেও মিলল তেমনই দুর্নীতি। প্রাথমিকের টেট পরীক্ষাতে পাস না করেও মিলেছে চাকরি। এই মর্মে একটি মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। এর ফলে এসএসসি, এসলএসটি, আপার প্রাইমারির পর প্রাইমারি টেটেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠে গেল।

প্রাইমারির নিয়োগ পরীক্ষায় পাস না করেও চাকরি পেয়েছেন অনেকে। এই দুর্নীতির তদন্তের দাবিতে এবার মামলা দায়ের করা হল কলকাতা হাইকোর্টে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে এই মামলা দায়ের হয়েছে। এই মামলার শুনানি হবে মঙ্গলবারই। মঙ্গলবার বিকেল তিনটে এই মামলার শুনানির কথা।
ইতিপূর্বে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের এজলাসেও দায়ের করা হয়েছে একটি জনস্বার্থ মামলা। ২০১৪ সালের প্রাইমারি টেটেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠল এবার। এদিন কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই মামলায় অভিযোগ, জনৈক সুব্রত মণ্ডল টেট পাস না করেও চাকরি পেয়েছেন। এই দুর্নীতির তদন্তের দাবিতেই মামলা রুজু করা হয়।
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে মামলা দায়েরের অনুমতি চেয়েছিলেন মামলাকারী। কলকাতা হাইকোর্ট সেই মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। প্রধান বিচারপতির এজলাসে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের পর নতুন করে বিচারপচতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে মামলাটি দায়ের করা হয়। কেননা প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের এজলাসে মামলাটির গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে কি না, তা নিয়ে অনেকদিন ধরেই প্রশ্ন উঠছে। এবং মামলাটি ঝুলে রয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে প্রাথমিকস্তরে টেটের মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষাতেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠে গেল। পরীক্ষায় পাস না করেও চাকরি পাওয়ার অভিযোগ উঠল প্রাথমিকে। এর আগে এসএসসিতে মেধাতালিকায় না থেকেও চাকরিতে নিয়োগ হয়েছিল মন্ত্রী-কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীর। সেই চাকরি বাতিল করে দিয়েছে হাইকোর্ট।
সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের রাজাশেখর মান্থারের বেঞ্চেও ধাক্কা খায় এসএসসি। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের বেঞ্চে নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের মামলাটি উঠেছিল। তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে বিচারপতি মান্থার নির্দেশ দেন, গণিত শিক্ষক সিদ্দিক গাজির চাকরি বাতিল করা হচ্ছে। তিনি এসএসসি কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন নবম-দশম শ্রেণির গণিত শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত শিক্ষক সিদ্দিক গাজির চাকরি বাতিল করতে হবে। অর্থাৎ এসএসসিতে পর পর দু-জনের চাকরি বাতিল করে দেওয়া হল। এবার প্রাথমিকেও সেই অভিযোগ।












Click it and Unblock the Notifications