বলাগড়ে বহিষ্কৃত যুবনেতা শান্তনুকে 'জামাই আদর'! অনেক জেনেছি...জেলমুক্তি হতেই তৃণমূলে সব ফাঁসের হুঁশিয়ারি
Primary Teachers Recruitment: গড়ে ফিরতেই আরতি করে বরণ করা হল বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Santanu Banerjee) । বৃহস্পতিবারই প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জামিন পান। দীর্ঘ প্রায় দু'বছর কারাবন্দি ছিলেন শান্তুনু। জেল থেকে বেরিয়েই আজ শুক্রবার বলাগড়ে পা রাখেন। আর সেখানে একেবারে বীরের সংবর্ধনা দেওয়া হল বহিস্কৃত এই তৃণমূল নেতাকে। শুধু তাই নয়, শাঁখ বাজিয়ে, উলু ধ্বনী দিয়ে তাঁকে ফুল মালা পড়াতেও দেখা গেল স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বকে।
এমনকী ছিলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যরাও। আর সেই ছবি সামনে আসতেই অস্বস্তি শাসকদলে। কীভাবে একজন বহিস্কৃত নেতাকে এমন ভাবে বীরের বরণ দেওয়া হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যদিও ওই তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলাদা সম্পর্ক। আর সেই জায়গা থেকেই নাকি আসা, দাবি পঞ্চায়েত সদস্যদের।

অন্যদিকে ছাড়া পেতেই দলের সিদ্ধান্ত নিয়ে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে অনেক কিছু ফাঁস করে দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, দলের মধ্যেই চক্রান্তের অভিযোগও তুললেন।
শান্তনুর দাবি, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ। তা এখনও প্রমাণ হয়নি। তদন্ত চলছে। কিন্তু দল আমাকে সাসপেণ্ড করে দিল। এক্ষেত্রে বহিষ্কার করতে পারত? তা কেন করা হল না? প্রশ্ন তোলেন বহিষ্কৃত যুব তৃণমূল নেতা। শুধু তাই নয়, দলের একাংশের বিরুদ্ধেই চক্রান্তের অভিযোগ তুলে তাঁর দাবি, জেলে থেকে অনেক কিছু জেনেছি, সব জানাব নেতৃত্বকে। অনেক কিছু হয়েছে। সবটাই জানানো হবে। তবে কি জেনেছেন তা স্পষ্ট করেননি শান্তনু।
বলে রাখা প্রয়োজন, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়ায় হুগলির বলাগড়ের প্রভাবশালী এই তৃণমূল নেতার। এরপরেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ২০২৩ সালে তাঁকে গ্রেফতার করে। তৎকালীন এই যুব নেতার বাড়ি থেকে নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক নথি পান তদন্তকারীরা।
শশুধু ইডিই নয়, পরে নিয়োগ মামলাতে সিবিআই'ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে। অভিযুক্ত এই নেতার বিরুদ্ধে একাধিক চাঞ্চল্যকর প্রমাণ ইতিমধ্যেই হাতে পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
চার্জশিটেও শান্তনুর নাম আছে। গত ২৬ নভেম্বর ইডির মামলায় জামিন পান। যদিও জেলামুক্তি ঘটে। সিবিআই'য়ের মামলাতে জেলে ছিলেন। বৃহস্পতিবার সেই মামলাতেও জামিন পান। আর এরপরেই ঘটে জেলমুক্তি। বৃহস্পতিবার জামিনের খবর জেলে বসেই পান শান্তনু। শোনা যায়, তা শোনার পরেই আবেগে কাঁদতে থাকেন দীর্ঘক্ষন।












Click it and Unblock the Notifications