৩৯২৯ শূন্যপদে নিয়োগ নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ
৩৯২৯ শূন্যপদে নিয়োগ নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ
প্রাথমিকে নিয়োগের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যর ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ পর্ষদ। গত কয়েকদিন আগেই ৩৯২৯ শূন্যপদে নিয়োগের নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। আর সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই এবার ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হল পর্ষদ। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হতে পারে বলে মনে জানা যাচ্ছে। এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি কোনদিকে গড়ায় সেদিকেই নজর সবার।

২৬ শে সেপ্টেম্বর এই শূন্যপদ পূরনের নির্দেশ দিয়েছিলেন
বলে রাখা প্রয়োজন, ২০১৪ র টেটের প্রেক্ষিতে ২০২০ সালে দ্বিতীয় নিয়োগ প্রক্রিয়া সংগঠিত করে পর্ষদ।
১৬ হাজার ৫০০ টি শূন্যপদে নিয়োগ হয়।
আর এর মধ্যেই আরও শূন্যপদ রয়েছে বলে দাবি করে মামলা হয়। এবং সেখানে নিয়োগের দাবিও জানানো হয়।
আর এর মধ্যেই মামলা চলাকালীন দেখা যায় ৩৯২৯ শূন্যপদ রয়েছে।
আর সেই শূন্য পদে নিয়োগের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, ২০২০ সালের প্রাথমিক নিয়োগের পর একাধিক শূন্যপদ রয়েছে। তাতে দ্রুত নিয়োগ করা উচিৎ বলেও পর্যবেক্ষণ করেছিলেন তিনি। তবে চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্ত নথি যাচাইয়ের কথা বলা হয়েছিল। তবে আগামী ১১ নভেম্বর এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি রয়েছে। সেদিন পর্ষদকে জানাতে বলা হয়েছে যে ঠিক কতজনকে চাকরি দেওয়া হয়েছে। তবে গত ২৬ শে সেপ্টেম্বর এই শূন্যপদ পূরনের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

চ্যালেঞ্জ করে মামলা কলকাতা হাইকোর্টে
আর এর মধ্যেই ফের একবার মামলার জটিলতা। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এহেন নির্দেশকেই এবার চ্যালেঞ্জ করে মামলা কলকাতা হাইকোর্টে। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যর ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছে পর্ষদ। মামলা কোন দিকে গড়ায় সেদিকেই নজর সব পক্ষের।

২০১৪ সালের টেট উত্তীর্নরা এই মামলা করেন
বলে রাখা প্রয়োজন, ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার পর দুবার নিয়োগ প্রক্রিয়া হয়েছিল। ২০১৬ সালে বেশ কিছু নিয়োগ করা হয়। প্রায় ৪২ হাজার শূন্যপদে এই নিয়োগ করা হয়। কিন্ত্য ২০২০ সালে দেখা যায় শূন্যপদ রয়েছে ১৬ হাজারের বেশ কিছু। সেই পদে নিয়োগ করা হয়। কিন্ত্য তাতে দেখা যায় ৩৯২৯ টি শূন্যপদ রয়ে গিয়েছে। শূন্যপদ থাকতেও চাকরি দেওয়া হয়নি কেন? আর এই বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ করেই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হয়। ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্নরা এই মামলা করেন। সেই মামলাতে একাধিক প্রশ্ন তোলে হাইকোর্ট। আর এরপরেই এহেন নির্দেশ দিয়েছিলেন সিঙ্গল বেঞ্চ।












Click it and Unblock the Notifications