মোদী-সাক্ষাতের পরই সোনিয়ার বৈঠকে গরহাজির, মমতার অবস্থানের নেপথ্যে কি পিকের চাল
মমতার সিএএ-এনআরসি বিরোধী ভূমিকা নিয়ে বিরোধীরা এখন প্রবল ধন্দে পড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ মনে করছে, এটা ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের আই-প্যাকের একটি নতুন রাজনৈতিক কৌশল তৈরির ফল।
মমতার সিএএ-এনআরসি বিরোধী ভূমিকা নিয়ে বিরোধীরা এখন প্রবল ধন্দে পড়েছে। রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ মনে করছে, এটা ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরের ইন্ডিয়ান পলিটিকাল অ্যাকশন কমিটি বা আই-প্যাকের একটি নতুন রাজনৈতিক কৌশল তৈরির ফল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাতের পরেও সিএএ-বিরোধিতা জারি রাখায় এই ধন্দ।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকের পরে কলকাতার এসপ্ল্যানেডে বাম নেতারা যখন 'গো ব্যাক দিদি' স্লোগান দিচ্ছিলেন, তখন পুলিশ তাদের তাড়া করে। এ প্রসঙ্গে বিরোধীরা তৃণমূল সুপ্রিমোকে 'রাগী দিদি' সম্বোধনেও ভূষিত করে।
এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দু'হাত তুলে প্রতিবাদকারী ও বিরোধী নেতাদের বোঝাতে চেষ্টা করেছিলেন যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার অঙ্গ। নাগরিকত্ব সংশোধন আইন বা সিএএ ও জাতীয় নাগরিক নিবন্ধনের বিরুদ্ধে তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেননি।
তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস কংগ্রেস প্রধান সোনিয়া গান্ধীর ডাকা সিএএ-এনআরসি বিরোধী বৈঠকেও যোগ দেয়নি। সোনিয়া গান্ধী বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নাগরিকত্ব আইন এবং বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সহিংসতা নিয়ে আলোচনার জন্য বিরোধী নেতাদের একটি বৈঠকে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের অনুপস্থিতি বিতর্ককে অন্য মাত্রা এনে দিয়েছে।
এই বিরোধীদের বৈঠক এড়িয়ে চলাও প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শ ছিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ তিনি অনুভব করেছিলেন, একটি দলের রাজ্য ও জাতীয় পর্যায়ে দুটি ভিন্ন অবস্থান থাকতে পারে না। রাজ্যে কংগ্রেস আমাদের বিপক্ষে আর দিল্লিতে কংগ্রেস আমাদের বৈঠকে অংশ নিতে বলছেন।












Click it and Unblock the Notifications