আম্ফানের দাপটে লন্ডভন্ড বাংলা, বিস্তৃর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পাশাপাশি ব্যাহত মোবাইল সংযোগও
আম্ফানের দাপটে লন্ডভন্ড বাংলা, বিস্তৃর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পাশাপাশি ব্যাহত মোবাইল সংযোগও
বুধবার রাত আম্ফানের রাতভোর তাণ্ডবে কার্যত বিধ্বস্ত গোটা বাংলা। আর যার জেরে রাজ্যের বিস্তৃর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পাশাপাশি ব্যাহত মোবাইল সংযোগও। একাধিক জায়গায় শুক্রবার সকালের পরেও স্বাভাবিক হয়নি পানীয় জলের পরিষেবা। যার প্রতিবাদে কলকাতা, হাওড়া ও হুগলীর বড় এলাকায় রাস্তায় নেমেছেন সাধারণ মানুষ।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার কলকাতা, হাওড়া, হুগলীর বিস্তৃর্ণ এলাকা
এদিকে বিদ্যুৎ দফতর সূত্রে খবর, বুধবার আম্ফানের থাবায় কলকাতা,উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলী, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর সহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি জেলায় অসংখ্য গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে। যার ফলে তার ছিঁড়ে রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিষেবাও বড় আকারে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। আম্ফানের দাপটে বিভিন্ন এলাকায় গাছ পড়ে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে যাওয়ার ফলে বিদ্যুৎ পরিষেবায় জোর ধাক্কা লেগেছে সিইএসসি ও রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন এলাকাতেও।

বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হতে কতদিন লাগবে বলতে পারছেন না কেউই
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কতদিন সময় লাগবে এই বিষয়ে এখনও সটিক ভাবে কেউ কিছু বলতে পারছেন না বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে এদিনই রাজ্যের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এমতাবস্থায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের ভেঙে পড়া বিদ্যুৎ পরিষেবা কখন স্বাভাবিক হবে সে বিষয়েও দিশা দেখাতে পারছেন না স্বয়ং রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও।

শুক্রবার রাত থেকেই মোবাইল পরিষেবা স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা
অন্যদিকে একাধিক এলাকায় ব্যপক ক্ষতি হয়েছে টেলিকম পরিষেবারও। সূত্রের খবর রাজ্যের ঘূর্ণিঝড় বিধ্বস্ত অঞ্চলে প্রায় ৮৫০০ টি মোবাইল টাওয়ার রয়েছে। এই টাওয়ার গুলির মাধ্যমে বিভিন্ন অপারেটরের প্রায় ৩৬০০ বেস স্টেশন চালিত হয় বলে জানা যাচ্ছে। যেগুলির বেশিরভাগই গত ২৪ ঘন্টার বেশি সম। ধরে পরিষেবা দিতে অনেকাংশেই ব্যর্থ হয়। যদিও সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের ৭০ শতাংশ মোবাইল টাওয়ার শুক্রবার সন্ধ্যের পর থেকেই আগেই মতোই পরিষেবা দিতে সমর্থ হবে বলে জানা যাচ্ছে।

বড়সড় ক্ষতির মুখে দক্ষিণ ২৪ পরগণা
এদিকে আম্ফানের দাপটে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা, নামখানা, বকখালি, সাগরদ্বীপ-সহ সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ অংশ। বহু জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ে। একাধিক জায়গায় ট্রান্সফরমারের উপর গাছ পড়ে ট্রান্সফরমার ভেঙেছে বলেও জানা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, এই সমস্ত এলাকা গুলিতে বৃহষ্পতিবার রাত পর্যন্তও মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত ছিল।












Click it and Unblock the Notifications