পাওয়ার গ্রিড প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখার ঘোষণা বিদ্যুৎমন্ত্রীর, তবু চলছে লাগাতার অবরোধ
পাওয়ার গ্রিড প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, উত্তেজনা কমছে না দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে। ক্রমেই সিঙ্গুরের ধাঁচে জমি আন্দোলনের রূপ নিচ্ছে ভাঙড়।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা , ১৭ জানুয়ারি : পাওয়ার গ্রিড প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও উত্তেজনা কমছে না দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে। ক্রমেই সিঙ্গুরের ধাঁচে জমি আন্দোলনের রূপ নিচ্ছে ভাঙড়। মঙ্গলবারও সকাল থেকে দফায় দফায় পথ অবরোধ চলে। জমি আন্দোলনের নেতা শামসুল হক ওরফে শেখ কালুর গ্রেফতারির প্রতিবাদে এই অবরোধ চলবে বলে দাবি আন্দোলনকারীদের।[নন্দীগ্রামের ধাঁচে জমি আন্দোলনে অগ্নিগর্ভ ভাঙড়, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে যাচ্ছেন রেজ্জাক!]
পাওয়ার গ্রিড প্রকল্পের জমি জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে স্থানীয় বাসিন্দারা বেশ কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভ-অবস্থান চালাচ্ছেন। দ্রুত নির্মাণকাজ বন্ধ করে জমি ফেরত দিতে হবে এই দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে ভাঙড়ের মাছিডাঙা, খামারআইট-সহ একাধিক গ্রাম। বিক্ষোভ তুলতে গিয়ে মার খেতে হয় পুলিশকেও।[মুখ্যমন্ত্রী বা বিদ্যুৎমন্ত্রীকে এসে পাওয়ার গ্রিড বন্ধের আশ্বাস দিতে হবে, নতুবা আন্দোলন চলবে]

এরপরই বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পাওয়ার গ্রিড প্রকল্পের নির্মাণকার্য আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরও উত্তেজনার পারদ কমছে না। সোমবার থেকেই নতুন করে আন্দোলনমের সূত্রপাক হয়েছিল। তখনই কালুকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ বিক্ষোভ তুলতে এসে মার খায়. এক পুলিশকর্মী গুরুতর আহত অবস্থায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন।[অশান্ত ভাঙড়, নিজের এলাকায় ঢুকতেই পারলেন না রেজ্জাক]
অভিযোগ, আরাবুল ইসলাম ও তাঁর অনুগামীরা জোর করে জমি নিয়েছিল এই প্রকল্পের জন্য। তারপর পাওয়ার গ্রিড হলে এলাকায় প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হবে, নষ্ট হবে চাষাবাদ, ক্ষতি হবে স্বাস্থ্যেরও। এমন আশঙ্কা থেকেই বিক্ষোভ দানা বাঁধে। তারপর থেকেই দফায় দফায় বিক্ষোভ-অবরোধ চলছে।[জোর করে জমি অধিগ্রহণ নয়, প্রয়োজনে পাওয়ার গ্রিড সরানো হবে : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়]












Click it and Unblock the Notifications