ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে নয়া মোড়! একতরফা শুনানি ঠেকাতে সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল মামলাকারী আইনজীবীদের
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে নয়া মোড়! সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করলেন মামলাকারী আইনজীবীরা। এই মামলাতে বড়সড় ধাক্কা রাজ্যের। সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। খুন, ধর্ষণ সংক্রান্ত একাধিক মামলাতে সিবিআইকে তদন্তের
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে নয়া মোড়! সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করলেন মামলাকারী আইনজীবীরা। এই মামলাতে বড়সড় ধাক্কা রাজ্যের। সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। খুন, ধর্ষণ সংক্রান্ত একাধিক মামলাতে সিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বৃহত্তর বেঞ্চ। আর আদালতের এহেন রায়ে অসন্তুষ্ট নবান্ন। এমনটাই সূত্রের খবর।
এমনকি এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করতে পারে রাজ্য।

ইতিমধ্যে আইনি প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, শুক্রবারের মধ্যেই দেশের সর্বোচ্চ আদালতে মামলা করতে পারে রাজ্য। আর সেই মামলার শুনানি যাতে এক তরফা ভাবে না হয় সেজন্যে আগেভাগে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন মামলাকারী আইনজীবীরা।
জানা যাচ্ছে, আজ বৃহস্পতিবার দিনের শেষে সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করা হয়েছে। মূলত ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে কোনওভাবে রাজ্যের বক্তব্য একতরফা ভাবে না শুনতে পারে দেশের শীর্ষ আদালত সেজন্যে আগেভাগে এই ক্যাবিয়েট দাখিল করা হল। হাইকোর্টে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা নিয়ে যে দুই আইনজীবী মামলা করেছিলেন, তাঁরাই সুপ্রিম কোর্টে এই ক্যাভিয়েট দাখিল করেছেন।
মামলাকারী দুই আইনজীবীর নাম, অনিন্দ্য সুন্দর দাস ও প্রিয়াঙ্কা টিব্রেয়াল। সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করার অর্থ, এ বার কোনও মামলায় শুধু রাজ্যকে রেখে একতরফা শুনানি করা যাবে না। রাজ্য সরকার যখনই হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যাবে, তখন মামলাকারীদেরও শুনানিতে শামিল করা বাধ্যতামূলক হবে।
মামলাকারী আইনজীবীরা কার্যত নিশ্চিত হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করবে রাজ্য সরকার। কারন ইতিমধ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে যে রিপোর্ট জমা পড়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাজ্য সরকার। এমনকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রকাশ্যে এই নিয়ে মুখ খুলেছেন। রিপোর্টকে পক্ষপাত বলেছেন।
শুধু তাই নয়, এই মামলাতে রাজ্যের তরফে দেওয়া হলফনামাতেও কমিশনের আধিকারিকদের বিজেপির লোক বলে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আর এরপরেও কলকাতা হাইকোর্ট ভোট প্রবর্তই হিংসা মামলাতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
তবে আদালতের এহেন নির্দেশ ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজইতক তরজা। রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, আদালত অভিযোগের মান্যতা দিয়েছে। রাজ্যের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরেছে আদালত। এব্যাপারে তিনি লজ্জিত এবং দুঃথিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজ্যে সাংবিধানিক ব্যবস্থা ক্ষতবিক্ষত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর দল বিষয়টি নিয়ে মিথ্যা কথা বলেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এদিনের রায়ে আদালতের ওপরে মানুষের বিশ্বাস ফিরবে এবং দোষীরা শাস্তি পাবেন বলেই মনে করেন তিনি। পাল্টা এই রায় দুঃখজনক বলেছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়।












Click it and Unblock the Notifications