ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে রাজ্য পুলিশের তদন্তকারীদের তলব! প্রভাবশালী যোগ খুঁজতে প্রেসিডেন্সি জেলে CBI
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে প্রথম থেকে তৎপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। ইতিমধ্যে দফায় দফায় বেশ কয়েকজনকে জেরা করেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুরো বিষয়টি সরজমিনে বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন তদন্তকারীরা।
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে প্রথম থেকে তৎপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। ইতিমধ্যে দফায় দফায় বেশ কয়েকজনকে জেরা করেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। ঘটনাস্থলে গিয়ে পুরো বিষয়টি সরজমিনে বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন তদন্তকারীরা।
ভিডিওগ্রাফী থেকে শুরু করে মৃত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের বয়ান রেকর্ড বয়ান পর্যন্ত করা হয়েছে।

তবে আরও তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশে এই তদন্ত চলছে। এই অবস্থায় আরও চাপ বাড়াচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে, মামলার তদন্তের এবার রাজ্য পুলিশের তদন্তকারী অফিসারদের তলব করা শুরু করল সিবিআই।
আজ বৃহস্পতিবার সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয় সোনারপুর থানার তদন্তকারী অফিসার সুজয় দাসকে। ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরেই সোনারপুরে খুন হতে হয় এক বিজেপি কর্মীকে। এই ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। আর সেই ঘটনার তদন্তকারী অফিসার ছিলেন সুজয় দাস।
এবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই খুনের ঘটনার আরও গভীরে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন সিবিআই আধিকারিকরা। এই ঘটনায় কারা জড়িত, কাদের কাদের গ্রেফতার করা হয়েছে এই সংক্রান্ত প্রশ্নমালা তৈরি করা হয় সিবিআই তরফে।
এমনকি এই ঘটনাতে কাদের গ্রেফতার করা যায়নি, রাজনৈতিক কোনও চাপ ছিল না সমস্ত বিষয়ে রাজ্য পুলিশের তদন্তকারীদের কাছ থেকে জানার চেষ্টা করা হবে বলে খবর। জানা গিয়েছে, প্রত্যেকটি ঘটনার ক্ষেত্রেই রাজ্য পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকদের জেরা করা হবে। ঘটনার গভীরে যাওয়ার ক্ষেত্রে তদন্তকারী আধিকারিকদের জেরা করা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভোট পরবতী হিংসা মামলাতে কোনও ভয় নেই। কারণ প্রত্যেক মামলাতে চার্জশিট হয়ে গিয়েছে। দোষীরা সবাই জেলে। আর এখানে নয়স স্ট্রেটিজি সিবিআইয়ের। জানা গিয়েছে, কাঁকুড়গাছিতে বিজেপি কর্মী অভিজিৎ খুনের ঘটনাতে আজ বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্সি জেলে যান তদন্তকারীরা।
এই ঘটনাতে এখনও পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেই এদিন জেলে যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এর আগে এই বিষয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় সিবিআই। তদন্তের স্বার্থে ওই পাঁচজনকে জেরা করার প্রয়োজন আছে বলে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।
আর এরপরেই ওই ৫ অভিযুক্ত জেলবন্দিকে জেরা করতে সকালে প্রেসিডেন্সি জেলে পৌঁছে যান সিবিআই কর্তারা। কীভাবে খুন করা হয়েছে অভিজিৎকে, এর পিছনে প্রভাবশালী যোগ রয়েছে কিনা! থাকলেও তাঁরা কারা? এই সমস্ত বিষয়ে জানতে এই জিজ্ঞাসাবাদ বলে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications