মাটিয়া, দেগঙ্গা, ইংরেজবাজার, বাঁশদ্রোণী ধর্ষণকাণ্ডে পুলিশের রিপোর্ট পেশ হাইকোর্টে
মাটিয়া, দেগঙ্গা, ইংরেজবাজার, বাঁশদ্রোণী ধর্ষণকাণ্ডে পুলিশের রিপোর্ট পেশ হাইকোর্টে
মাটিয়া, দেগঙ্গা, ইংরেজবাজার, বাঁশদ্রোণী ধর্ষণকাণ্ডে রিপোর্ট পেশ করল পুলিশ। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ করা হয় এই চার ঘটনা। এর আগে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টে কড়া নির্দেশ দিয়েছিল। জানতে চেয়েছিল পুলিশ একের পর এক ধর্ষণের ঘটনায় কী ব্যবস্থা নিয়েছে। এবার রিপোর্ট আকারে তা হাইকোর্টে জানাল পুলিশ।

হাঁসখালির ঘটনার পর বিগত কয়েকদিন ধরে বাংলায় একাধিক জেলায় একাধিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। উত্তর ২৪ পরগনার মাটিয়া থেকে শুরু করে মালদহের ইংরেজবাজারে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে বাঁশদ্রোণী, দেগঙ্গাতেও। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টে মামলা হয়। সেই মামলায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নির্যাতিতাদের চিকিৎসার জন্য অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের মেডিকেল বোর্ড গঠনের পরামর্শ দেন।
গত বৃহস্পতিবার এই মামলার শউনানিতে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ কেস ডায়েরি-সহ তদন্ত রিপোর্ট পুলিশকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। সোমবারের মধ্যে এই রিপোর্ট জমা দিতে হবে বলে জানিয়েছিল হাইকোর্ট। তার ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্টে খতিয়ে দেখবে পুলিশ এখন পর্যন্ত কী ব্যবস্থা নিয়েছে। সেই রিপোর্ট জমা পড়ল অবশেষে। চারটি ধর্ষণের ঘটনায় কেস ডায়েরি খতিয়ে দেখে কী নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপচতি তা পরবর্তী শুনানিতে জানা যাবে।
মাটিয়া গণধর্ষণকাণ্ডে কলকাতা হাইকো্র্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী সুমিত্রা নিয়োগী। আর ইংরেজবাদার ঘর্ষণের ঘটনায় জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন সুস্মিতা সাহা দত্ত। নামে কলকাতা হাইকোর্টের আর এক আইনজীবী। পরবর্তী সময়ে বাঁশদ্রোণী ও দেগঙ্গার ধর্ষণের ঘটনাতেও জনস্বার্ছথ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। প্রশ্ন উঠেছিল রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে।
এরপরই আদালতের নজরদারিতে তদন্তের আর্জি জানান জনস্বার্থ মামলাকারী আইজীবীরা। তাঁরা নির্যাতিতাদের ক্ষতিপূরের দাবিতেও সরব হন। মাটিয়া ধর্ষণকাণ্ডে ১১ বছরের এক নাবালিকাকে নির্জন স্থানে নিয়ে হিয়ে কয়েকজন যুবক গণধর্ষণ করে। তার উপর এতটাই অত্যাচার করা হয় যে, যৌনাঙ্গে অস্ত্রোপচার পর্যন্ত করতে হবে। আর ইংরেজবাজারে ঘুমন্ত কিশোরীর হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
দেগঙ্গায় পটলের ক্ষেত থেকে মহিলার অর্ধনগ্ন দেহ উদ্ধার হয়। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হয় মদন খাওয়ানোর পর ধর্ষণ করা হয়, তারপর খুন করা হয় ওই গৃহবধূকে। এই ঘটনার তদন্তে কী উপনীত হয় পুলিশ, তা রিপোর্টে জানানো হয়েছে। বাঁশদ্রোণী নিয়েও তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে হাইকোর্টে।












Click it and Unblock the Notifications