মাসখানেক আগেই বাড়ি ফিরেছিল অমিতাভ, কথা চলছিল ট্রান্সফারের, কিন্তু তা আর হল না
দার্জিলিং-এর গুরুং বাহিনীর সদস্যদের গুলিতে মৃত এসআই অমিতাভ মালিক। মধ্যমগ্রামের বাড়িতে এখন শোকের ছায়া। সকালে হঠাৎ আসা খবরে মুহ্যমান প্রতিবেশীরাও।
দার্জিলিং-এর গুরুং বাহিনীর সদস্যদের গুলিতে মৃত এসআই অমিতাভ মালিক। মধ্যমগ্রামের বাড়িতে এখন শোকের ছায়া। সকালে হঠাৎ আসা খবরে মুহ্যমান প্রতিবেশীরাও।

মধ্যমগ্রাম পুরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের পাটুলির শরৎ কানন। এখানকারই দীর্ঘদিনের বাসিন্দা অমিতাভ মালিকের পরিবার। এই মুহূর্তে বাড়িতে বাবা, মা, ভাই। বাবা সামান্য একজন ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি। সেই অবস্থা থেকে দুই ছেলের লেখাপড়া চালিয়েছেন। অমিতাভ বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক। বাড়ির একমাত্র রোজগেরে ছিলেন অমিতাভ।

এইবছরের মার্চেই বিয়ে হয়েছিল অমিতাভ মালিকের। দুজনেই ছিলেন পূর্ব পরিচিত। স্ত্রীকে নিয়ে দার্জিলিং-এ ছিলেন অমিতাভ।

বছর খানেকের ওপর দার্জিলিং-এ পোস্টিং ছিল অমিতাভ মালিকের।

মাসখানের আগে বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। এরই মধ্যে বদলি হওয়ারও কথা ছিল। যদিও তা আর হয়ে উঠল না।












Click it and Unblock the Notifications