নিউটাউন এনকাউন্টারের ফ্ল্যাটে রাত কাটিয়েছে দুই মহিলা, তদন্তে নতুন তথ্য
নিউটাউন এনকাউন্টারের (new town encounter) তদন্তে নতুন তথ্য সিআইডির (cid) গোয়েন্দাদের হাতে। আবাসনে থাকা সিসিটিভি (cctv) ফুটেজে দুই মহিলার উপস্থিতি ধরা পড়েছে বলে তদন্তকারীদের সূত্রে খবর। ওই দুই মহিলার সেখানে যাওয়ার
নিউটাউন এনকাউন্টারের (new town encounter) তদন্তে নতুন তথ্য সিআইডির (cid) গোয়েন্দাদের হাতে। আবাসনে থাকা সিসিটিভি (cctv) ফুটেজে দুই মহিলার উপস্থিতি ধরা পড়েছে বলে তদন্তকারীদের সূত্রে খবর। ওই দুই মহিলার সেখানে যাওয়ার কারণ ও পরিচয় জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

সুমিত কুমারের পুলিশ হেফাজত
নিউটাউন কাণ্ডে ধৃত অন্যতম অভিযুক্ত সুমিত কুমারের ৬ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে পঞ্জাবের আদালত। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য সুমিত কুমারের ডকুমেন্ট ব্যবহার করে দুই গ্যাংস্টার জয়পাল ভুল্লার ও জসপ্রীত জাসসি ঘর ভাড়া নিয়েছিল। অন্যদিকে, এই ঘটনায় যোগসাজসের অভিযোগে পঞ্জাব পুলিশে কনস্টেবল অমরজিৎ সিংকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ হেফাজতে যাওয়া সুমিত কুমার ও ভরত কুমারের সঙ্গে অমরজিতের বন্ধুত্ব ছিল বলে দাবি পুলিশের। কেনা অমরজিতে আইডি কার্ড পাওয়া গিয়েছিল ভরত কুমারের কাছ থেকে।

দুই অভিযুক্তকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা
নিউটাউন এনকাউন্টার কাণ্ডে পুলিশের হাতে ধৃত সুমিত কুমার ও ভরত কুমারকে মুখোমুখি বসিয়ে জেলা করেছেন তদন্তকারীরা। সেই জেলা থেকে ইতিমধ্যেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁদের অনুমান, অভিযুক্তদের সঙ্গে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ থাকতে পারে। এছাড়াও অস্ত্র চোরাচালানেও তারু যুক্ত থাকতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারীদের।

সিসিটিভিতে দুই মহিলার হদিশ
নিউটাউন এনকাউন্টার কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য তদন্তকারীদের হাতে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, ঘটনার দুদিন আগে রাতে দুই মহিলা ওই ফ্ল্যাটে ঢুকেছিলেন। সিসিটিভির দেওয়া সময় অনুযায়ী রাত ৯.৩২-এ কালো গাড়ি থেকে নামে দুই মহিলা। এরপর রাত ১১.১২ নাগাদ ডেলিভারি বয় চার প্যাকেট খাবারও দেন সেখানে। জসপ্রীত জাসসিকে সেই খাবার সংগ্রহ করতেও দেখা গিয়েছে। পরের দিন সকালে দুই মহিলাকে ওই কমপ্লেক্স থেকে বেরোতে দেখা গিয়েছে।

বেডরুমেই গুলিযুদ্ধ
বুধবার বিকেল ৪.৪০। নিউটাউনের সুখবৃষ্টিতে শুরু হয়েছিল গুলিবৃষ্টি। বি ক্লকের ২০১ নম্বর ফ্ল্যাটের দুই গ্যাংস্টার জয়পাল ভুল্লার ও জসপ্রীত জাসসি ১৫ মিনিটের গুলি যুদ্ধে মারা যায়। ৩৫ রাউন্ডের গুলি যুদ্ধে জখম হয়েছিলেন এসটিএফ-এর এক ইনস্পেক্টর। শনিবার এই গুলিযুদ্ধ নিয়ে ফরেনসিক দল প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেয়। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেখানে বলা হয়েছে, ফ্ল্যাটের ভিতরেই গুলি যুদ্ধ চলে। সেই কারণে ঘরের আলমারি ও দেওয়ালে গুলির দাগ রয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ীস পুলিশ সেখানে গিয়ে দুই গ্যাংস্টারকে আত্মসমর্পণ করতে বলে। সেই সময় তারা বন্দুক থেকে গুলি চালায়। এসটিএফ-এর পাল্টা গুলিতে প্রাণ যায় দুজনের।












Click it and Unblock the Notifications