আমডাঙায় উদ্ধার শয়ে শয়ে বোমা! সিপিএম-এর বিরুদ্ধে জ্যোতিপ্রিয়র অস্ত্র মজুতের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন
মঙ্গলবার সন্ধেয় আমডাঙায় সিপিএম ও তৃণমূলের সংঘর্ষের ঘটনায় সরিয়ে দেওয়া হল থানার বর্তমান ওসিকে। সেখানে বহাল করা হয়েছে পূর্বতন ওসি তুষার বিশ্বাসকে।
মঙ্গলবার সন্ধেয় আমডাঙায় সিপিএম ও তৃণমূলের সংঘর্ষের ঘটনায় সরিয়ে দেওয়া হল থানার বর্তমান ওসিকে। সেখানে বহাল করা হয়েছে পূর্বতন ওসি তুষার বিশ্বাসকে। এদিকে, সকাল থেকে পুলিশের তল্লাশিতে উদ্ধার হচ্ছে শয়ে শয়ে বোমা। এলাকার বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে অস্ত্র উদ্ধার করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলার তৃণমূল নেতা তথা, খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

মঙ্গলবারের সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। সিপিএম-এর জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য-সহ গ্রেফতার করা হয়েছে ১০ জনকে। আহত ১৫ জন ভর্তি বিভিন্ন হাসপাতালে। যার মধ্যে আশঙ্কাজনক সাতজন। এলাকায় গিয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
বারান্দায় গ্রিলের মধ্যে, দরজার সামনে, বাড়ির একতলার ছাদে কিংবা স্কুলের দরজার ওপরে সর্বত্র ছড়িয়ে রয়েছে না ফাটা বোমা। আর একটু আড়াল আবডাল হলে তো কথাই নেই। বোমা জড়ো করা রয়েছে। বোর্ড গঠন নিয়ে এলাকায় অশান্তি চলছিল, তার সেই অশান্তি বোমা-সহ অস্ত্র মজুত করেছিল দুদলই। কিন্তু ঘটনা কেন পুলিশ টের পেল না, সেই প্রশ্ন উঠছে। শুধু টের না পাওয়ার অভিযোগই নয়, সংঘর্ষ শুরু হওয়ার আড়াই ঘণ্টা পর এলাকায় ঢুকতে পারে পুলিশ। কেন এত দেরি প্রশ্ন উঠছে তা নিয়েও। এলাকায় আলো নিভিয়ে দিয়ে পরিকল্পনা মাফিক হামলা চলে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
এলাকার তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে, আত্মরক্ষায় বোমা তৈরির কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। তাদের অভিযোগ পুলিশ সিপিএম-এর থেকে ঘুষ খেয়েছে। অপর দিকে, এলাকায় বোমা মজুতের কথা অস্বীকার করেছেন স্থানীয় সিপিএম-এর কর্মী-সমর্থকরা। হামলার দায় তৃণমূলের ওপরেই চাপিয়েছেন তাঁরা। তবে উনিশ আসনের পঞ্চায়েতে একমাত্র বিজেপি সদস্যদে যে তাদের সমর্থন করেছেন, তা খোলাখুলি স্বীকার করে নিয়েছেন স্থানীয় সিপিএম কর্মী-সমর্থকরা।
জেলার তৃণমূল নেতা তথা খাদ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সিপিএম-তৃণমূল জোট বেধেছে এলাকায়। তিনি সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করছেন। পুলিশকে দিয়ে বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে অস্ত্র উদ্ধার করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications