ফিল্মি কায়দায় পালিয়েও মিলল না রেহাই! রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ফের গ্রেফতার পুলিশ খুনে অভিযুক্ত
পালিয়েও মিলল না রেহাই। রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে কাঁথির রথতলার একটি বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হল নামী দুষ্কৃতী কর্ণ বেরাকে। ২০১১-তে প্রথমবার জেলে গিয়েছিল কর্ণ।
পালিয়েও মিলল না রেহাই। রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে কাঁথির রথতলার একটি বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হল নামী দুষ্কৃতী কর্ণ বেরাকে। ২০১১-তে প্রথমবার জেলে গিয়েছিল কর্ণ। এরপর বেশ কয়েকবার পুলিশি হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু প্রতিবারই সে ধরা পড়ে যায়। ২০১৬-তে কনস্টেবল নবকুমার হাইতকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে এই কর্ণর বিরুদ্ধে।

আদালত চত্বরে পুলিশের ওপর হামলা
প্রথম ঘটনাটি ঘটে কাঁথি আদালত চত্বরে। বেলা বারোটার সময় পুলিশি প্রহরায় মেদিনীপুর সংশোধনাগার থেকে কাঁথি আদালতে আনা হয় কর্ণ বেরাকে। সেই সময়ই আগে থেকেই সেখানে আশ্রয় নেওয়া দুই দুষ্কৃতী বোমা ফেলে। কিছু অপ্রস্তুত হয়ে পড়ে পুলিশ। বাধা দিতে গেলে ফের বোমা মারা হয়।

বাইক স্টার্ট না হওয়াতেই পুলিশের জালে
আদালতের বাইরে রাখা বাইকে স্টার্ট দিতে গেলে সেটি স্টার্ট নেয়নি। ফলে কর্ণকে নিয়ে বাকি দুই দুষ্কৃতী বাইকটি হাঁটিয়ে নিয়ে যায়। সেই সময় পুলিশ কোনও রকম বাধা দেয়নি বলে জানা গিয়েছে।

কাঁথির রথতলার বাড়িতে আশ্রয়
কর্ণ কাঁথির রথতলা এলাকার একটি বাড়িতে আশ্রয় নেয়। সেটি দেখে ফেলেন এলাকার বাসিন্দারা। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী এলাকায় যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। বাড়িটি ঘিরে ফেলে আত্মসমর্পণ করার জন্য আবেদন জানানো হয়। পরে সেই বাড়ি থেকেই ফের গ্রেফতার করা হয় কর্ণ বেরাকে। গ্রেফতারের পর কর্ণকে কাঁথি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

২০১১-তে প্রথমবার জেলে যায় কর্ণ
এলাকার পরিচিত দুষ্কৃতী কর্ণ বেরা। ২০১১-তে প্রথমবার সে জেলে গিয়েছিল। এরপর একাধিকবার সে পুলিশি হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ তৎপর ছিল না। বৃহস্পতিবার পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত বাইক স্টার্ট না হওয়াটাই কাল হয়ে দাঁড়ায়। পালিয়ে গিয়েও ঘন্টা দেড়েকের মধ্যে ফের পুলিশের হাতে ধরা পড়ে সে।
বছর কয়েক আগে জাতীয় সড়কে পুলিশ কনস্টেবল নবকুমার হাইতকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে কর্ণর বিরুদ্ধে। এছাড়াও পেট্রোল পাম্পে ডাকাতিরও অভিযোগ রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications