বেপরোয়া লরির ধাক্কা, পুলিশ অফিসারের মৃত্যু ঘিরে 'রহস্য' সোনারপুরে
পথ দুর্ঘটনায় পুলিশ অফিসারের মৃত্যু ঘিরে রহস্য। সোমবার সকালে সোনারপুর থানায় যাওয়ার পথে বৈকুণ্ঠপুরে লরির ধাক্কায় মারা যান রাজেশ দাস নামে ওই এসআই। পুলিশ লরিটিকে আটক করলেও চালক পলাতক।
পথ দুর্ঘটনায় পুলিশ অফিসারের মৃত্যু ঘিরে রহস্য। সোমবার সকালে সোনারপুর থানায় যাওয়ার পথে বৈকুণ্ঠপুরে লরির ধাক্কায় মারা যান রাজেশ দাস নামে ওই এসআই। পুলিশ লরিটিকে আটক করলেও চালক পলাতক।

রাজেশ দাস। রানাঘাটের এই বাসিন্দা রাজ্য পুলিশের কর্মী। আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইনস্পেক্টরের পদে কর্মরত ছিলেন। ২০১৬ সালে পদোন্নতি হয়ে এসআই-এর দায়িত্ব পান। সোনারপুর থানায় অ্যান্টিক্রাইম বিভাগে কর্মরত ছিলেন। সোমবার সকাল আটটা নাগাদ মোটরসাইকেলে অফিসে যাচ্ছিলেন রাজেশ দাস। বৈকুণ্ঠপুরের রাস্তায় পিছন থেকেই একই লেনে আসছিল একটি লরি। সেই লরিই ধাক্কা মারে রাজেশ দাসকে। লরিটির বেগ এতটাই বেশি ছিল যে, বাইকটি লরির নিচে ঢুকে যায়। মাথায় হেলমেট থাকা সত্ত্বেও বুকে ও পেটে গুরুতর আহত লাগে রাজেশের।
রাজেশ দাসকে গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। এরপর রাজেশ দাসের দেহ নিয়ে যাওয়া হয় সোনারপুর থানায়।
এসআই-এর বাইক-এ বেপরোয়া লরির ধাক্কা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। নিছক দুর্ঘটনা না অন্য কিছু, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। অ্যান্টিক্রাইম বিভাগে কর্মরত থাকায় এই প্রশ্ন আরও বেশি করে উঠছে পরিজনদের মধ্যে। দুষ্কৃতীরা এই দুর্ঘটনা ঘটানোর পিছনে রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। দুর্ঘটনার পর লরি চালকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে সোনারপুর থানার পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications