West Bengal Panchayat Election 2023: ভিন রাজ্য থেকে আসবে ফোর্স! বাংলায় ছুটি বাতিল পুলিশের
West Bengal Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচন (Bengal Panchayat Election) ঘোষণা হতেই গ্রাম বাংলায় প্রবল বলি! এই অবস্থায় নির্বাচন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ( Central Force) দিয়েই করানোর পক্ষে বিরোধীরা। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও হয়েছে।
যদিও এখনই কেন্দ্রীয় বাহিনী আনার পক্ষে নয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বরং রাজ্য পুলিশের উপরেই আস্থা রাখতে চাইছে রাজ্য প্রশাসন। প্রয়োজনে ভিন রাজ্য থেকে সশস্ত্র পুলিশ চাইতে পারে নবান্ন।

শুক্রবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনে কমিশনার রাজীব সিনহার নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। যেখানে রাজ্য পুলিশের ডিজি, মুখ্যসচিব সহ একাধিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। মূলত ভোটে নিরাপত্তা নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে খবর।
আর সেই বৈঠকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলেছেন নির্বাচন কমিশনার। তবে এখনই কেন্দ্রীয় বাহিনী না আনার পক্ষ্যেই রাজ্য প্রশাসন। বরং ভিন রাজ্য থেকে ইতিমধ্যেই সশস্ত্র পুলিশ চাওয়া হয়েছে বলে কমিশনকে জানিয়েছেন আধিকারিকরা বিহার, ওডিশা কিংবা ঝাড়খন্ড থেকে বাহিনী নবান্ন চাইতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।
যদিও ভোট করাতে য়ঠিক কত ফোর্স প্রয়োজন সে বিষয়ে একটা সমিক্ষা চালানো হচ্ছে। এরপরেই যাবতীয় সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। তবে ভোটে কোন কোন রাজ্য ফোর্স পাঠাতে চাইবে এক্ষেত্রে সেটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে বলে মত আধিকারিকদের একাংশের। আর এর মধ্যেই যদিও শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
সেখানে ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর। অন্যদিকে আজ শনিবার থেকেই পুলিশের ছুটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে অ্যাডিশনাল ডিজিপি (আইনশৃঙ্খলা) চিঠি দিয়ে এই নির্দেশ জারি করেছে। জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও পুলিশ কর্মীকে ছুটি দেওয়া হবে।

তবে বিশেষ কিংবা জরুরি পরিস্থিতি ছুটির বিষয়টি ভাবা হবে বলেও বার্তায় জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৮ জুলাই রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট হবে। ভোট হবে একদফাতেই। ইতিমধ্যে শুক্রবার থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে।
আর সেই প্রক্রিয়া শুরু হতেই এক কংগ্রেস কর্মীকে নৃশংস খুন। যা নিয়ে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। শুধু তাই নয়, এই ঘটনার পরে ভোটের দিন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি আরও জোরাল ভাবে তুলতে শুরু করেছে কংগ্রেস-বিজেপি সহ বিরোধীরা।












Click it and Unblock the Notifications