অডিও-বার্তায় ‘জনতার কারফিউ’-এর হুঁশিয়ারি গুরুংয়ের, প্রশাসন কী বলছে
রাজ্য প্রশাসন মনে করছে গুরুং ঘরে-বাইরে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। তাই নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে ফাঁকা আওয়াজ করে চলেছেন। তাঁর সব অস্ত্রই এখন ভোঁতা হয়ে গিয়েছে।
ফের বিমল গুরুংয়ের 'অডিও বার্তা' এল পাহাড়ে। এবার তাঁর হুঁশিয়ারি 'জনতার কারফিউ' দেখবে রাজ্য। তবে গুরুংয়ের সেই 'অডিও বার্তা'কে থোড়াই কেয়ার রাজ্য প্রশাসনের। উত্তরকন্যায় মুখ্যমন্ত্রীর পাহাড় বৈঠকের পর গুরুংয়ের হুঁশিয়ারিকে একেবারেই পাত্তা দিচ্ছে না প্রশাসন। তবে সমস্তরকম সাবধানতা অবলম্বন করা হচ্ছে প্রশাসনের তরফে।

রাজ্য প্রশাসন মনে করছে গুরুং ঘরে-বাইরে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। তাই নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে ফাঁকা আওয়াজ করে চলেছেন। তাঁর সব অস্ত্রই এখন ভোঁতা হয়ে গিয়েছে। তবে তিনি খোঁচা খাওয়া বাঘের মতো যখন তখন হিংসার ঘটনা ঘটাতে পারেন। সেই দিকে অবশ্য বিশেষ লক্ষ্য রাখছে প্রশাসন। কেননা রাজ্যে প্রশাসন চাইছে না নতুন করে কোনও অশান্তি হোক পাহাড়ে।
মঙ্গলবার পাহাড়-বৈঠকে সর্বদল থেকেই ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। মোর্চার দুই বিধায়কও এই বৈঠককে সফল বলে ব্যাখ্যা করেছেন। এই অবস্থায় বুধবার পাহাড়ের চিত্রটা ছিল অনেক বেশি স্বচ্ছল। এদিন বেশ কিছু দোকানপাট খুলেছে। যান চলাচল বেড়েছে। চালু হয়েছে কিছু স্কুল। বেশ কিছু অফিস-ব্যাঙ্কও খুলতে দেখা গিয়েছে পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকায়।
মঙ্গলবার পাহাড়-বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী বনধ তোলার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেইমতো এদিন থেকেই ছন্দে ফিরতে দেখা যায় পাহাড়কে। এরই মধ্যে মোর্চা ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের দাবি তুলেছে। কিন্তু তার সঙ্গে পাহাড়ের শান্তি বিঘ্নিত করার কোনও সম্পর্ক নেই। বিনয় তামাং আবার এরই মধ্যে শুক্রবার দার্জিলিংয়ে সভা করবেন। এই সভা থেকে আলাদা পার্টি অফিসের ঘোষণা করবেন তামাং।












Click it and Unblock the Notifications