চন্দননগরে পুরভোটের প্রচারে কোভিড বিধিভঙ্গে গ্রেফতার প্রার্থী! তৃণমূলের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ বিজেপির
চন্দননগরে প্রচারে কোভিড বিধিভঙ্গের অভিযোগ গ্রেফতার প্রার্থী! তৃণমূলের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ বিজেপির
প্রচারে কোভিড (Covid-19) বিধিভঙ্গের অভিযোগে ব্যবস্থা পুলিশের (Police)। চন্দননগরে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে কোভিড বিধিভঙ্গের (violation of regulation) অভিযোগ পুলিশ প্রার্থী-সহ সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনায় বিজেপির (BJP) তরফ থেকে তৃণমূলকেই (Trinamool Congress) দায়ী করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের বিরুদ্ধেও প্রচারে বাধার অভিযোগ তুলেছে বিরোধী দল।

প্রায় ৫০ জনকে নিয়ে প্রচারের অভিযোগ
রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে করোনা পরিস্থিতিতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারে প্রার্থী-সহ ৫ জন করে থাকতে পারবেন। কিন্তু এদিন সকালে চন্দননগরের বিজেপি প্রার্থী সন্ধ্যা দাস প্রায় ৫০ জনকে নিয়ে প্রচারে নামেন বলে অভিযোগ। প্রার্থীর সঙ্গে সেই দলে ছিলেন, পুরশুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ, হুগলি জেলা বিজেপির সভাপতি তুষার মজুমদার এবং যুবমোর্চার সভাপতি সুরেশ সাউয়ের মতো অনেকে।

খবর পেয়েই পুলিশ যায়
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে চন্দননগরের মালাপাড়ে এলাকায় এদিন সকালে প্রচার করছিলেন বিজেপি প্রার্থী এবং নেতারা। সেই খবর পেয়েই সেখানে যায় চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিশ। পুলিশ বাধা দিলে পুরশুড়ার বিধায়কের সঙ্গে পুলিশের বচলা শুরু হয়। বিজেপির তরফে গঙ্গাসাগর মেলার উদাহরণ টানা হয়। সেই সময় বিজেপি কর্মীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রার্থী-সহ সাতজনকে আটক করে নিয়ে যায়। পরে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ দলদাসের মতো আচরণ করছে, অভিযোগ বিজেপির
বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ অভিযোগ করেন পুলিশ দলদাসের মতো আচরণ করছে। তিনি বলেন, শাসকদল তৃণমূল অনেক লোক নিয়ে প্রচার করলেও, তা পুলিশের চোখে পড়ছে না। বিজেপি বলেই প্রচারে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, বিজেপি দাবি করেছিল, ভোট ২ মাস পিছিয়ে দেওয়া হোক, কিন্তু তা করা হয়নি। এই গ্রেফতারের পিছনে তৃণমূলে কারসাজি রয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয় বিজেপির তরফে। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, শাসক শিবির চায় না বিরোধীরা প্রচার করুক। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শনিবারের মন্তব্য প্রসঙ্গে বিজেপির বিধায়ক বলেছেন, তৃণমূলের নেতার মুখে এক কথা বলেন, আর কাছে অন্য। তিনি আরও বলেছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার পুরভোট সন্ত্রাস মুক্ত করতে বলেছিলেন। কিন্তু সেই ভোটে কী পরিস্থিতি হয়েছিল তা সবাই দেখেছেন।

অভিযোগ অস্বীকার পুলিশের
যদিও তৃণমূলের তরফে বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। ঘাসফুল শিবির বলেছে, বিধি ভেঙে প্রচারে পুলিশ আটকেছে। শাসক শিবিরের তরফে আরও বলা হয়েছে, করোনার সময়ে যখন সব গল বিধি মেনে প্রচার করছে, সেই সময় বিজেপি বিধি ভেঙে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইছে।












Click it and Unblock the Notifications